বাংলাদেশ ০৫:৫৬ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

পাকিস্তানে হামলার চেষ্টা চালাতে গিয়ে ২৫০ ভারতীয় সেনা নিহত

  • আপডেট সময় : ০১:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫
  • / 50

অনলাইন ডেস্ক:

কাশ্মীরের পর্যটন কেন্দ্র পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার দায় পাকিস্তানের ওপর চাপিয়ে দেশটিতে “অপারেশন সিঁদুর” নামক একটি সামরিক অভিযান চালায় ভারত। এই অভিযানে ভারতীয় বাহিনী সাধারণ পাকিস্তানি নাগরিক, এমনকি মসজিদেও হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এবার পাকিস্তানি একটি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওই অভিযানে ভারতেরই বড় ক্ষতি হয়েছে এবং অন্তত ২৫০ ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটে গত মে মাসে। ভারত সরকার যদিও এই সংঘাতের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি, তবে পাকিস্তানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়—সীমান্তবর্তী লাইন অব কন্ট্রোলে (LoC) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চালানো অভিযানে ভারতের ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক। তাদের তথ্য মতে, ভারত সরকার এখন পর্যন্ত এই সেনাদের মৃত্যুর ঘটনা গোপন রেখেছে এবং অনেককে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে এই বিষয়টি জনসাধারণের নজর এড়িয়ে যায়।

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছে তিনজন রাফাল যুদ্ধবিমান পাইলটসহ মোট চারজন পাইলট, বিমানবাহিনীর সাত সদস্য, ১০ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেডের পাঁচজন, ৯৩ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড হেডকোয়ার্টারের নয় সদস্য এবং আদমপুর বিমানঘাঁটির এস-৪০০ ইউনিটের পাঁচজন অপারেটর। এই তালিকায় থাকা সদস্যদের বাইরে আরো বহু সেনা সীমান্তে সরাসরি যুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমটি আরও দাবি করে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হঠকারী সিদ্ধান্তের ফলেই দেশটিকে এই বিপুল পরিমাণ প্রাণহানির মুখোমুখি হতে হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের পরিচয় গোপন রাখতে নিহত সেনাদের পরিবারকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে কোনো ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট বা তথ্য প্রকাশে।

এই প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক মিডিয়ার মনোযোগ কেড়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের এমন গোপনীয় মনোভাব যুদ্ধকালীন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পরিপন্থী। তারা মনে করছেন, নিহতদের সম্মান জানাতে হলে ভারত সরকারের উচিত সত্য তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করা।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

পাকিস্তানে হামলার চেষ্টা চালাতে গিয়ে ২৫০ ভারতীয় সেনা নিহত

আপডেট সময় : ০১:২৫:৫৫ অপরাহ্ন, সোমবার, ৭ জুলাই ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:

কাশ্মীরের পর্যটন কেন্দ্র পেহেলগামে সন্ত্রাসী হামলার ঘটনার দায় পাকিস্তানের ওপর চাপিয়ে দেশটিতে “অপারেশন সিঁদুর” নামক একটি সামরিক অভিযান চালায় ভারত। এই অভিযানে ভারতীয় বাহিনী সাধারণ পাকিস্তানি নাগরিক, এমনকি মসজিদেও হামলা চালায় বলে অভিযোগ উঠেছে। তবে এবার পাকিস্তানি একটি প্রভাবশালী সংবাদমাধ্যমে প্রকাশিত তথ্য অনুযায়ী, ওই অভিযানে ভারতেরই বড় ক্ষতি হয়েছে এবং অন্তত ২৫০ ভারতীয় সেনা নিহত হয়েছেন।

ঘটনাটি ঘটে গত মে মাসে। ভারত সরকার যদিও এই সংঘাতের ক্ষয়ক্ষতির বিষয়ে প্রকাশ্যে কিছু জানায়নি, তবে পাকিস্তানি গণমাধ্যমের প্রতিবেদনে বলা হয়—সীমান্তবর্তী লাইন অব কন্ট্রোলে (LoC) পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চালানো অভিযানে ভারতের ক্ষয়ক্ষতি ব্যাপক। তাদের তথ্য মতে, ভারত সরকার এখন পর্যন্ত এই সেনাদের মৃত্যুর ঘটনা গোপন রেখেছে এবং অনেককে মরণোত্তর সম্মাননা দেওয়ার সিদ্ধান্ত নিয়েছে যাতে এই বিষয়টি জনসাধারণের নজর এড়িয়ে যায়।

প্রকাশিত তালিকা অনুযায়ী, নিহতদের মধ্যে রয়েছে তিনজন রাফাল যুদ্ধবিমান পাইলটসহ মোট চারজন পাইলট, বিমানবাহিনীর সাত সদস্য, ১০ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেডের পাঁচজন, ৯৩ ইনফ্যান্ট্রি ব্রিগেড হেডকোয়ার্টারের নয় সদস্য এবং আদমপুর বিমানঘাঁটির এস-৪০০ ইউনিটের পাঁচজন অপারেটর। এই তালিকায় থাকা সদস্যদের বাইরে আরো বহু সেনা সীমান্তে সরাসরি যুদ্ধে নিহত হয়েছেন।

সংবাদমাধ্যমটি আরও দাবি করে, ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির হঠকারী সিদ্ধান্তের ফলেই দেশটিকে এই বিপুল পরিমাণ প্রাণহানির মুখোমুখি হতে হয়েছে। প্রতিবেদনে বলা হয়, নিহতদের পরিচয় গোপন রাখতে নিহত সেনাদের পরিবারকে কঠোরভাবে নিরুৎসাহিত করা হয়েছে কোনো ধরনের সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে পোস্ট বা তথ্য প্রকাশে।

এই প্রতিবেদন আন্তর্জাতিক মিডিয়ার মনোযোগ কেড়েছে। বিশ্লেষকরা বলছেন, ভারতের এমন গোপনীয় মনোভাব যুদ্ধকালীন স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতার পরিপন্থী। তারা মনে করছেন, নিহতদের সম্মান জানাতে হলে ভারত সরকারের উচিত সত্য তথ্য জনসম্মুখে প্রকাশ করা।