ধন্যবাদ না দেওয়ায় ক্ষুব্ধ ট্রাম্প, ফের হামলার হুমকি
- আপডেট সময় : ০৩:০৫:১৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
- / 50
অনলাইন ডেস্ক:
ইরানের সর্বোচ্চ ধর্মীয় নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনিকে “লজ্জাজনক মৃত্যুর হাত থেকে বাঁচিয়েছেন” দাবি করে, তার কাছ থেকে ধন্যবাদ না পাওয়ায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। একই সঙ্গে তিনি হুঁশিয়ারি দিয়েছেন, ইরান যদি পারমাণবিক অস্ত্র নির্মাণের পথে এগোয়, তাহলে তিনি আরও হামলার নির্দেশ দেবেন।
শুক্রবার নিজের সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প লিখেছেন, “আমি খামেনিকে জঘন্য ও অপমানজনক মৃত্যুর হাত থেকে রক্ষা করেছি, অথচ তিনি ধন্যবাদটুকু দেননি।” তিনি আরও দাবি করেন, ইসরায়েল ও যুক্তরাষ্ট্রের যৌথ সামরিক বাহিনী খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা করেছিল, যা তিনিই প্রতিহত করেন।
ট্রাম্পের এই মন্তব্য আসে আয়াতুল্লাহ খামেনির দেওয়া এক বক্তব্যের পর, যেখানে তিনি ইসরায়েলের সঙ্গে ১২ দিনের যুদ্ধে ইরানের ‘জয়’ দাবি করেন। খামেনির এ বক্তব্যকে “মিথ্যা ও বোকামিপূর্ণ” বলে আখ্যা দিয়ে ট্রাম্প কড়া সমালোচনা করেন।
তবে ট্রাম্পের মন্তব্যকে “অসম্মানজনক ও অগ্রহণযোগ্য” বলে তীব্র নিন্দা জানিয়েছেন ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাকচি। সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে (সাবেক টুইটার) এক পোস্টে তিনি বলেন, “ট্রাম্প যদি সত্যিকার অর্থে কোনো চুক্তি করতে চান, তাহলে তাঁকে খামেনির প্রতি সম্মান দেখাতে হবে এবং তার কোটি ভক্তের অনুভূতিতে আঘাত দেওয়া বন্ধ করতে হবে।”
এর আগে ট্রাম্প দাবি করেছিলেন, ইরানে মার্কিন ক্ষেপণাস্ত্র হামলার মাধ্যমে দেশটির পরমাণু অস্ত্র অর্জনের সক্ষমতা ধ্বংস করা হয়েছে। এই হামলা-পাল্টা হামলার প্রেক্ষাপটেই ১২ দিনের মধ্যে ইসরায়েল ও ইরান যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যস্থতায় যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়।
এই সংঘাতে খামেনিকে হত্যার পরিকল্পনা বারবার উঠে আসে আন্তর্জাতিক সংবাদমাধ্যমে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুও মন্তব্য করেছিলেন, খামেনিকে হত্যা করলে ‘পরমাণু যুদ্ধের অবসান’ ঘটবে। তবে যুক্তরাষ্ট্রের হস্তক্ষেপে তা বাস্তবায়ন হয়নি।
বর্তমানে ইরান ও যুক্তরাষ্ট্রের মধ্যে সম্পর্কে উত্তেজনা আরও বেড়েছে, বিশেষ করে ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি ঘিরে নতুন করে উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।















