হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনা ধ্বংস হয়নি : মার্কিন গোয়েন্দা তথ্য
- আপডেট সময় : ০৯:০৯:০২ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৫ জুন ২০২৫
- / 58
অনলাইন ডেস্ক:
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক বিমান হামলায় ইরানের পারমাণবিক স্থাপনাগুলোর সামগ্রিক কাঠামো ধ্বংস হয়নি বলে প্রাথমিকভাবে জানিয়েছে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থাগুলো। যদিও এই হামলায় ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রমে সাময়িক ভাটা পড়েছে, তবে বড় ধরনের ক্ষতি হয়নি বলে মনে করা হচ্ছে।
সিএনএনের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, পেন্টাগনের গোয়েন্দা শাখা এবং প্রতিরক্ষা গোয়েন্দা সংস্থা (ডিফেন্স ইন্টেলিজেন্স এজেন্সি – ডিআইএ) এই মূল্যায়ন তৈরি করেছে। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক সূত্র জানিয়েছে, ইউএস সেন্ট্রাল কমান্ড হামলার পর পরিচালিত যুদ্ধ-পরবর্তী ক্ষয়ক্ষতির বিশ্লেষণের ভিত্তিতে এই প্রাথমিক মূল্যায়ন তৈরি করা হয়েছে।
সিএনএনের কাছে থাকা তথ্য অনুযায়ী, ইরানের সমৃদ্ধ ইউরেনিয়ামের মজুদ ধ্বংস হয়নি এবং উল্লেখযোগ্য সংখ্যক সেন্ট্রিফিউজ এখনো অক্ষত রয়েছে। আরেকটি সূত্র জানিয়েছে, হামলার আগেই ইরান গুরুত্বপূর্ণ ইউরেনিয়াম সরিয়ে নিয়েছিল, যার ফলে প্রকৃত ক্ষয়ক্ষতি সীমিত। গোয়েন্দা কর্মকর্তারা মনে করছেন, এই হামলায় ইরানের পারমাণবিক কার্যক্রম বড়জোর কয়েক মাস পিছিয়ে পড়বে, এর বেশি নয়।
অন্যদিকে, রয়টার্সের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ইরানের ইউরেনিয়ামের মজুদ এখনো অপসারণ করা হয়নি এবং অধিকাংশই মাটির নিচে সুরক্ষিতভাবে রাখা রয়েছে। যদিও ইরান দাবি করে, তাদের পারমাণবিক কর্মসূচি শান্তিপূর্ণ উদ্দেশ্যে, বিশেষ করে জ্বালানি উৎপাদনের জন্য পরিচালিত হচ্ছে।
মার্কিন প্রশাসন এখনো এই হামলার পূর্ণাঙ্গ প্রভাব নির্ধারণে কাজ করছে। দেশটির গোয়েন্দা সংস্থাগুলো ইরানের অভ্যন্তর থেকে বিভিন্ন উৎসে নজরদারি চালিয়ে ক্ষয়ক্ষতির প্রকৃত মাত্রা নির্ধারণের চেষ্টা করছে।
তবে হোয়াইট হাউজ এই গোয়েন্দা মূল্যায়নের বক্তব্য প্রত্যাখ্যান করেছে। হোয়াইট হাউজের প্রেস সেক্রেটারি ক্যারোলিন লিভিট সিএনএন-কে দেওয়া এক বিবৃতিতে বলেন, “এই মূল্যায়ন একটি ‘অতি গোপনীয়’ নথি, যা জনসমক্ষে প্রকাশ করা অনুচিত। এটি ফাঁস করেছেন একজন অজ্ঞাত, নিম্নপদস্থ এবং ব্যর্থ কর্মকর্তা, যার উদ্দেশ্য ছিল প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে হেয় করা এবং সফল মিশনে অংশ নেওয়া মার্কিন পাইলটদের অসম্মান করা।”















