ঈদের আগে টুরিস্ট ভিসা নিয়ে ভারতীয় দূতাবাসের স্পষ্ট বার্তা
- আপডেট সময় : ০৬:৫৯:২৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৩ মার্চ ২০২৫
- / 73
বাংলাদেশে রাজনৈতিক অস্থিরতা এবং শেখ হাসিনার সরকারের পতনের পর থেকে ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের টানাপোড়েন চলছেই। গেল বছরের ৫ আগস্ট ছাত্র বিক্ষোভ ও গণঅভ্যুত্থানের মুখে দেশ ছাড়তে বাধ্য হয়ে ভারতে আশ্রয় নেন শেখ হাসিনা। এরপর থেকেই বাংলাদেশের সঙ্গে ভারতের সম্পর্কের অবনতি ঘটে। ড. ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার দায়িত্ব নেওয়ার পর কিছুটা সম্পর্কের উন্নতি ঘটলেও গত নয় মাসে তা পুরোপুরি স্বাভাবিক হয়নি। বিশেষ করে, বাংলাদেশি নাগরিকদের ভিসা প্রাপ্তিতে সমস্যা এখনো সমাধান হয়নি।
শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর বাংলাদেশে অবস্থিত ভারতীয় ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে আগস্ট মাসের মাঝামাঝি সময়ে সীমিত পরিসরে ভিসা আবেদন কেন্দ্রগুলো পুনরায় খোলা হয়। তবে, তখন জানানো হয় যে শুধুমাত্র জরুরি ও মেডিকেল ভিসা ইস্যু করা হবে। এরপর থেকে টুরিস্ট ভিসা বাদে অন্য সব ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে ভিসা ইস্যু করা হচ্ছে।
সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে গুঞ্জন ছড়ায় যে, মার্চ মাস থেকে বাংলাদেশিদের ভারতীয় টুরিস্ট ভিসা প্রদান শুরু হবে। বিষয়টি নিয়ে একটি বেসরকারি গণমাধ্যম ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করে। দূতাবাসের ভিসা উইংয়ের পক্ষ থেকে জানানো হয়, টুরিস্ট ভিসা চালুর বিষয়ে কোনো নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।
রবিবার (২৩ মার্চ) বেসরকারি গণমাধ্যমটির পক্ষ থেকে আবারও ভারতীয় দূতাবাসের সঙ্গে যোগাযোগ করা হয়। তখন দূতাবাসের ভিসা উইং জানায়, টুরিস্ট ভিসা ছাড়া অন্যান্য সকল ক্ষেত্রে সীমিত পরিসরে ভিসা প্রদান করা হচ্ছে। তবে, টুরিস্ট ভিসা চালুর বিষয়ে এখন পর্যন্ত কোনো নতুন নির্দেশনা পাওয়া যায়নি।
যারা ভারতের মাধ্যমে তৃতীয় কোনো দেশে যাওয়ার পরিকল্পনা করছেন, তাদের জন্য ভিসা প্রসেসিং স্বাভাবিক রয়েছে। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র জমা নেওয়ার পর যাচাই-বাছাই করে স্লট দেওয়া হচ্ছে।
এদিকে, আগামী ২-৪ এপ্রিল থাইল্যান্ডের ব্যাংককে ষষ্ঠ বিমসটেক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে। এই সম্মেলনের ফাঁকে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূসের বৈঠক আয়োজনের জন্য নয়াদিল্লিকে চিঠি পাঠিয়েছে বাংলাদেশ। ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস. জয়শঙ্কর জানিয়েছেন, এ বৈঠকটি বিবেচনাধীন রয়েছে। বিশ্লেষকদের মতে, মোদির সঙ্গে ড. ইউনূসের এই বৈঠক অনুষ্ঠিত হলে দুই দেশের মধ্যকার সম্পর্ক উন্নতির সম্ভাবনা রয়েছে।















