অবাধ ও সুষ্ঠু নির্বাচনে সেনাবাহিনী প্রস্তুত: সেনাপ্রধান
- আপডেট সময় : ০২:৩৩:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ অগাস্ট ২০২৫
- / 32
দেশ এখন জাতীয় নির্বাচনের দিকে এগিয়ে যাচ্ছে এবং একটি অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষ নির্বাচন নিশ্চিত করতে সেনাবাহিনী সব ধরনের প্রস্তুতি নিয়েছে বলে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান।
মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) ঢাকা সেনানিবাসে আয়োজিত অফিসার্স অ্যাড্রেসে সেনা সদস্যদের উদ্দেশে দেওয়া বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন। দেড় ঘণ্টাব্যাপী এ অনুষ্ঠানে বাহিনীর শৃঙ্খলা, সততা, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ভুয়া তথ্য ছড়ানো, সেনাবাহিনী নিয়ে সমালোচনা ও মাঠ পর্যায়ের দায়িত্ব পালনের নানা বিষয় নিয়ে আলোচনা করেন তিনি। পদস্থ কর্মকর্তারা সরাসরি উপস্থিত ছিলেন এবং দেশের সব সেনা স্থাপনার কর্মকর্তারা ভার্চুয়ালি যুক্ত হন।
সেনাপ্রধান বলেন, “দেশের মানুষ এখন সেনা সদস্যদের দিকে তাকিয়ে আছে। তাই দায়িত্ব পালনে পেশাদারিত্ব বজায় রাখতে হবে। প্রতিশোধমূলক কোনো কাজে জড়ানো যাবে না। বাহিনীর চেইন অব কমান্ড অক্ষুণ্ন রাখতে হবে।”
ভুয়া তথ্য প্রসঙ্গে তিনি সতর্ক করে বলেন, “সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে সেনাবাহিনীকে নিয়ে বিভ্রান্তিকর বার্তা ছড়ানো হচ্ছে। এসব দেখে বিভ্রান্ত হওয়া যাবে না। সতর্ক থাকতে হবে, যাতে বাহিনীর ভাবমূর্তি ক্ষুণ্ন না হয়।”
সেনাপ্রধান আরও বলেন, বাহিনী একটি পেশাদার সংগঠন, তাই নৈতিক স্খলনের বিষয়ে কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না। রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডে সেনা সদস্যদের সম্পৃক্ততা কিংবা নারী নির্যাতনের মতো অভিযোগ প্রমাণিত হলে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে মিডিয়া ট্রায়ালের ভিত্তিতে কোনো সিদ্ধান্ত হবে না বলে তিনি উল্লেখ করেন।
ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের উদ্দেশে জেনারেল ওয়াকার বলেন, “একজন সেনা কর্মকর্তাকে তৈরি করতে রাষ্ট্র বিপুল অর্থ ব্যয় করে। তাই আগেভাগেই খেয়াল রাখতে হবে, যেন কেউ অপরাধে জড়িয়ে না পড়ে। অপরাধে জড়িয়ে পড়ার পর তাকে বাড়ি পাঠানো মানে রাষ্ট্রের অর্থের অপচয়।”
এর আগে গত ২১ মে অফিসার্স অ্যাড্রেসে সেনাপ্রধান নির্বাচনের বিষয়ে অবস্থান স্পষ্ট করে জানিয়েছিলেন, জাতীয় নির্বাচন ডিসেম্বরের মধ্যেই হওয়া উচিত। এবারও তিনি সেই অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন।














