বাংলাদেশ ১০:১৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

মোদিকে এক হাজার কেজি হাড়িভাঙ্গা আম উপহার পাঠালেন অধ্যাপক ইউনূস

  • আপডেট সময় : ০১:৩৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫
  • / 43

অনলাইন ডেস্ক:

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে এক হাজার কেজি হাড়িভাঙ্গা আম পাঠাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করতে এই বিশেষ উপহার পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোমবার (১৪ জুলাই) এই আমের চালান ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছাবে। আমগুলো শুধু প্রধানমন্ত্রী মোদির দপ্তরে নয়, বরং ভারতীয় কূটনীতিক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যেও বিতরণ করা হবে। এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এই হাড়িভাঙ্গা আম উপহার হিসেবে পাঠানো হবে।

এর আগেও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এ ধরনের মৌসুমি ফল পাঠানো হয়ে থাকে। গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য ৩০০ কেজি হাড়িভাঙ্গা আম উপহার হিসেবে পাঠানো হয়। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৬০টি কার্টনে এসব আম ত্রিপুরায় পাঠানো হয়।

প্রতিবছরই বাংলাদেশ সরকার ত্রিপুরা রাজ্য সরকার এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আমসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল উপহার হিসেবে পাঠায়। এর জবাবে ত্রিপুরা সরকারও উপহার হিসেবে বাংলাদেশে পাঠায় তাদের বিখ্যাত রসালো ‘কুইন’ জাতের আনারস।

চলতি বছরের আম উপহার পাঠানোর এই কার্যক্রমটি পরিচালনা করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। হাড়িভাঙ্গা আম পাঠানো হয়েছে রপ্তানিকারকের মাধ্যমে এবং তা আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই ধরনের কূটনৈতিক সৌহার্দ্য বিনিময়কে ‘আম কূটনীতি’ নামে অভিহিত করা হয়, যা আগের প্রশাসনের সময়েও প্রচলিত ছিল। এখনো এটি দুই প্রতিবেশী দেশের পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্মান ও শুভেচ্ছার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মোদিকে এক হাজার কেজি হাড়িভাঙ্গা আম উপহার পাঠালেন অধ্যাপক ইউনূস

আপডেট সময় : ০১:৩৯:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৩ জুলাই ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির জন্য শুভেচ্ছা উপহার হিসেবে এক হাজার কেজি হাড়িভাঙ্গা আম পাঠাচ্ছেন বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা ও নোবেল বিজয়ী অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস। বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যে বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক আরও গভীর করতে এই বিশেষ উপহার পাঠানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

বাংলাদেশ হাইকমিশনের এক কর্মকর্তা জানিয়েছেন, সোমবার (১৪ জুলাই) এই আমের চালান ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে পৌঁছাবে। আমগুলো শুধু প্রধানমন্ত্রী মোদির দপ্তরে নয়, বরং ভারতীয় কূটনীতিক ও ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের মধ্যেও বিতরণ করা হবে। এছাড়া ভারতের পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কেও এই হাড়িভাঙ্গা আম উপহার হিসেবে পাঠানো হবে।

এর আগেও বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে ভারতের বিভিন্ন রাজ্যে এ ধরনের মৌসুমি ফল পাঠানো হয়ে থাকে। গত বৃহস্পতিবার (১০ জুলাই) ত্রিপুরা রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রীসহ বিশিষ্ট ব্যক্তিদের জন্য ৩০০ কেজি হাড়িভাঙ্গা আম উপহার হিসেবে পাঠানো হয়। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে আখাউড়া স্থলবন্দর দিয়ে ৬০টি কার্টনে এসব আম ত্রিপুরায় পাঠানো হয়।

প্রতিবছরই বাংলাদেশ সরকার ত্রিপুরা রাজ্য সরকার এবং গুরুত্বপূর্ণ ব্যক্তিদের জন্য আমসহ বিভিন্ন মৌসুমি ফল উপহার হিসেবে পাঠায়। এর জবাবে ত্রিপুরা সরকারও উপহার হিসেবে বাংলাদেশে পাঠায় তাদের বিখ্যাত রসালো ‘কুইন’ জাতের আনারস।

চলতি বছরের আম উপহার পাঠানোর এই কার্যক্রমটি পরিচালনা করেছে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়। হাড়িভাঙ্গা আম পাঠানো হয়েছে রপ্তানিকারকের মাধ্যমে এবং তা আগরতলায় বাংলাদেশ সহকারী হাইকমিশনের কর্মকর্তাদের কাছে আনুষ্ঠানিকভাবে হস্তান্তর করা হয়েছে।

এই ধরনের কূটনৈতিক সৌহার্দ্য বিনিময়কে ‘আম কূটনীতি’ নামে অভিহিত করা হয়, যা আগের প্রশাসনের সময়েও প্রচলিত ছিল। এখনো এটি দুই প্রতিবেশী দেশের পারস্পরিক সৌহার্দ্য, সম্মান ও শুভেচ্ছার প্রতীক হিসেবে বিবেচিত হয়।