বাংলাদেশ ০১:০৬ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা, থাকবে সাধারণ ছুটি

  • আপডেট সময় : ০৫:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫
  • / 54

অনলাইন ডেস্ক:

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ উপলক্ষে দিবস উদযাপন নিয়ে চলমান আলোচনা-সমালোচনার প্রেক্ষাপটে সরকার সিদ্ধান্তে আনে সংশোধন। বুধবার (৩০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র অনুযায়ী, প্রতি বছর ৫ আগস্ট দিনটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। দিবসটিতে সাধারণ ছুটি থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, প্রতি বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিনটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে দিনটিকে ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া, ১৬ জুলাই, গণআন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদের স্মরণে দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ১৬ জুলাই দিবসটিকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করা হবে।

এর আগে, গত ২৫ জুন ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দিনটিকে অর্থাৎ ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল সরকার।

এমনকি সরকার ঘোষিত অপর একটি পরিপত্রে, আবু সাঈদের স্মরণে ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবেও ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে সংশোধিত পরিপত্রে একই দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছর থেকে ৫ আগস্টে দেশজুড়ে সরকারি ছুটি পালন করা হবে, আর ‘জুলাই শহীদ দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে ১৬ জুলাইয়ে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এসব দিবস ঘোষণার মধ্য দিয়ে সরকার নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ‘গণআন্দোলন-গণঅভ্যুত্থানকে’ প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে চাইছে এবং ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো চিহ্নিত করে তা স্মরণে রাখার চেষ্টা করছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

৫ আগস্ট ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ ঘোষণা, থাকবে সাধারণ ছুটি

আপডেট সময় : ০৫:৪০:১২ অপরাহ্ন, বুধবার, ২ জুলাই ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:

‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান’ উপলক্ষে দিবস উদযাপন নিয়ে চলমান আলোচনা-সমালোচনার প্রেক্ষাপটে সরকার সিদ্ধান্তে আনে সংশোধন। বুধবার (৩০ জুন) মন্ত্রিপরিষদ বিভাগ থেকে জারি করা প্রজ্ঞাপন ও পরিপত্র অনুযায়ী, প্রতি বছর ৫ আগস্ট দিনটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। দিবসটিতে সাধারণ ছুটি থাকবে।

প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, প্রতি বছর ৫ আগস্ট আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের দিনটিকে ‘জুলাই গণঅভ্যুত্থান দিবস’ হিসেবে পালনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। একইসঙ্গে দিনটিকে ‘জাতীয় ও আন্তর্জাতিক দিবস পালন সংক্রান্ত পরিপত্রের ‘ক’ শ্রেণিভুক্ত দিবস হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।

এছাড়া, ১৬ জুলাই, গণআন্দোলন চলাকালে রংপুরে পুলিশের গুলিতে নিহত শিক্ষার্থী আবু সাঈদের স্মরণে দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করা হয়েছে। মন্ত্রিপরিষদ বিভাগের একই প্রজ্ঞাপনে জানানো হয়, ১৬ জুলাই দিবসটিকে ‘খ’ শ্রেণিভুক্ত জাতীয় দিবস হিসেবে পালন করা হবে।

এর আগে, গত ২৫ জুন ছাত্র-জনতার গণ-অভ্যুত্থানে আওয়ামী লীগ সরকারের পতনের পর, ড. মুহাম্মদ ইউনূসের নেতৃত্বে অন্তর্বর্তীকালীন সরকার গঠনের দিনটিকে অর্থাৎ ৮ আগস্টকে ‘নতুন বাংলাদেশ দিবস’ হিসেবে ঘোষণা করেছিল সরকার।

এমনকি সরকার ঘোষিত অপর একটি পরিপত্রে, আবু সাঈদের স্মরণে ১৬ জুলাইকে ‘শহীদ আবু সাঈদ দিবস’ হিসেবেও ঘোষণা করা হয়। পরবর্তীতে সংশোধিত পরিপত্রে একই দিনটিকে ‘জুলাই শহীদ দিবস’ হিসেবে নির্ধারণ করা হয়েছে।

নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, আগামী বছর থেকে ৫ আগস্টে দেশজুড়ে সরকারি ছুটি পালন করা হবে, আর ‘জুলাই শহীদ দিবস’ যথাযোগ্য মর্যাদায় পালন করা হবে ১৬ জুলাইয়ে।

বিশ্লেষকরা বলছেন, এসব দিবস ঘোষণার মধ্য দিয়ে সরকার নতুন রাজনৈতিক বাস্তবতায় ‘গণআন্দোলন-গণঅভ্যুত্থানকে’ প্রাতিষ্ঠানিক স্বীকৃতি দিতে চাইছে এবং ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ মোড়গুলো চিহ্নিত করে তা স্মরণে রাখার চেষ্টা করছে।