বাংলাদেশ ০১:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৩ জুলাই ২০২৬, ২৯ আষাঢ় ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

নুরুল হুদা রাতের ভোটের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিলেন

  • আপডেট সময় : ০৩:২১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫
  • / 54

রাষ্ট্রদ্রোহ, প্রহসনের নির্বাচন আয়োজন ও অন্যায় প্রভাব খাটানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানার মামলায় দুই দফায় আটদিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমানের আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তিনি স্বেচ্ছায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে সম্মতি প্রকাশ করলে আদালত তা গ্রহণ করে। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে বিএনপি ২২ জুন শেরে বাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তিনজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, কে এম নুরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আউয়াল) এবং সংশ্লিষ্ট সময়ের কমিশনার ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শকদের আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, উল্লিখিত তিন নির্বাচনে ‘গায়েবি মামলা’, অপহরণ, গুম, খুন, নির্যাতন ও গণগ্রেপ্তারের মাধ্যমে বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হয়। একইসঙ্গে সংবিধান ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সরকারি কর্মচারী হয়েও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করে ভোটের ফলাফল প্রভাবিত করা হয়।

মামলা দায়েরের দিন রাতেই উত্তরা থেকে জনতা সাবেক সিইসি নুরুল হুদাকে আটক করে হেনস্তা করে। কেউ কেউ তার বাসায় প্রবেশ করে অপদস্থ করে এবং ফেসবুক লাইভে সম্প্রচারও করে।

এরপর ২৩ জুন তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে চারদিনের রিমান্ড নেওয়া হয়। পরে ২৫ জুন রিমান্ড শেষে আবারও চার দিনের নতুন রিমান্ডে পাঠানো হয়।

এ মামলায় নতুন করে রাষ্ট্রদ্রোহ, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ যুক্ত করা হয়েছে, যার আওতায় তদন্ত চলছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

নুরুল হুদা রাতের ভোটের দায় স্বীকার করে জবানবন্দি দিলেন

আপডেট সময় : ০৩:২১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১ জুলাই ২০২৫

রাষ্ট্রদ্রোহ, প্রহসনের নির্বাচন আয়োজন ও অন্যায় প্রভাব খাটানোর অভিযোগে দায়ের করা মামলায় সাবেক প্রধান নির্বাচন কমিশনার (সিইসি) কে এম নুরুল হুদা স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।

মঙ্গলবার (১ জুলাই) রাজধানীর শেরে বাংলা নগর থানার মামলায় দুই দফায় আটদিনের রিমান্ড শেষে তাকে ঢাকার অতিরিক্ত চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট মো. জিয়াদুর রহমানের আদালতে হাজির করা হয়। এ সময় তিনি স্বেচ্ছায় ফৌজদারি কার্যবিধির ১৬৪ ধারায় জবানবন্দি দিতে সম্মতি প্রকাশ করলে আদালত তা গ্রহণ করে। এরপর তাকে কারাগারে পাঠানো হয়।

মামলার সূত্রে জানা যায়, আওয়ামী লীগ সরকারের আমলে অনুষ্ঠিত ২০১৪, ২০১৮ এবং ২০২৪ সালের জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ব্যাপক অনিয়ম, কারচুপি এবং ভয়ভীতি প্রদর্শনের অভিযোগে বিএনপি ২২ জুন শেরে বাংলা নগর থানায় একটি মামলা দায়ের করে।

এ মামলায় সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা, তিনজন প্রধান নির্বাচন কমিশনার (কাজী রকিবউদ্দীন আহমদ, কে এম নুরুল হুদা ও কাজী হাবিবুল আউয়াল) এবং সংশ্লিষ্ট সময়ের কমিশনার ও পুলিশের সাবেক মহাপরিদর্শকদের আসামি করা হয়।

মামলার অভিযোগে বলা হয়, উল্লিখিত তিন নির্বাচনে ‘গায়েবি মামলা’, অপহরণ, গুম, খুন, নির্যাতন ও গণগ্রেপ্তারের মাধ্যমে বিএনপি নেতাকর্মীদের নির্বাচন থেকে দূরে রাখা হয়। একইসঙ্গে সংবিধান ও নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন করে সরকারি কর্মচারী হয়েও নির্বাচন প্রক্রিয়ায় সরাসরি হস্তক্ষেপ করে ভোটের ফলাফল প্রভাবিত করা হয়।

মামলা দায়েরের দিন রাতেই উত্তরা থেকে জনতা সাবেক সিইসি নুরুল হুদাকে আটক করে হেনস্তা করে। কেউ কেউ তার বাসায় প্রবেশ করে অপদস্থ করে এবং ফেসবুক লাইভে সম্প্রচারও করে।

এরপর ২৩ জুন তাকে গ্রেপ্তার দেখিয়ে আদালতে হাজির করে চারদিনের রিমান্ড নেওয়া হয়। পরে ২৫ জুন রিমান্ড শেষে আবারও চার দিনের নতুন রিমান্ডে পাঠানো হয়।

এ মামলায় নতুন করে রাষ্ট্রদ্রোহ, প্রতারণা ও অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ যুক্ত করা হয়েছে, যার আওতায় তদন্ত চলছে।