নিম্নচাপের প্রভাবে ছয় জেলায় বন্যার শঙ্কা
- আপডেট সময় : ১২:১৫:২১ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ৩০ মে ২০২৫
- / 54
অনলাইন ডেস্ক:
বঙ্গোপসাগরে সৃষ্ট নিম্নচাপের প্রভাবে দেশের বিভিন্ন স্থানে থেমে থেমে বৃষ্টি অব্যাহত রয়েছে। টানা বৃষ্টিপাত এবং উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলের কারণে নদ-নদীর পানি বাড়তে শুরু করেছে। এর প্রেক্ষিতে আগামী তিনদিনের মধ্যে দেশের ছয়টি জেলায় বন্যা পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে বলে সতর্ক করেছে পানি উন্নয়ন বোর্ডের বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
শুক্রবার (৩০ মে) প্রকাশিত সর্বশেষ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, চট্টগ্রাম বিভাগের গোমতী, মুহুরী, ফেনী, হালদা, সাঙ্গু ও মাতামুহুরী নদীগুলোর পানি সমতল আগামী ২৪ ঘণ্টায় বাড়তে পারে। এর মধ্যে মুহুরী নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে এবং মাতামুহুরী নদী সতর্কসীমায় প্রবাহিত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ফলে ফেনী জেলার মুহুরী নদীর পার্শ্ববর্তী নিম্নাঞ্চলে বন্যা পরিস্থিতি দেখা দিতে পারে।
এছাড়া সিলেট ও ময়মনসিংহ বিভাগের সারিগোয়াইন, যাদুকাটা, মনু, ধলাই, খোয়াই ও সোমেশ্বরী নদীগুলোর পানি সমতলও বাড়ছে। আগামী তিনদিনের মধ্যে এসব নদীর পানি বিপৎসীমা অতিক্রম করতে পারে। এর ফলে সিলেট, সুনামগঞ্জ, মৌলভীবাজার, হবিগঞ্জ এবং নেত্রকোনা জেলার নিম্নাঞ্চলে বন্যা দেখা দেওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।
এদিকে রংপুর বিভাগের তিস্তা, ধরলা ও দুধকুমার নদীর পানি সমতলও বাড়তে পারে। তবে এখনো পর্যন্ত এই অঞ্চলে বড় ধরনের বন্যার শঙ্কা নেই। তিস্তা নদী সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে।
পূর্বাভাসে আরও বলা হয়, বরিশাল, খুলনা ও চট্টগ্রাম বিভাগের উপকূলীয় নদীগুলোতে আগামী ২৪ ঘণ্টায় স্বাভাবিকের চেয়ে বেশি উচ্চতায় জোয়ার দেখা দিতে পারে। সুরমা ও কুশিয়ারা নদীর পানিও বাড়ছে, যা আগামী তিনদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে। তবে বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে।
ব্রহ্মপুত্র ও যমুনা নদীর পানি সমতল বর্তমানে স্থিতিশীল অবস্থায় রয়েছে এবং তা বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী একদিন পানি সমতল স্থিতিশীল থাকলেও পরবর্তী চারদিন তা বাড়তে পারে, তবে তাতেও বিপৎসীমা অতিক্রমের সম্ভাবনা নেই।
অন্যদিকে, গঙ্গা নদীর পানি সমতল বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে এবং পদ্মা নদীর পানি বাড়ছে। এই প্রবণতা আগামী পাঁচদিন পর্যন্ত অব্যাহত থাকতে পারে, তবে এখনো তা বিপৎসীমার নিচ দিয়েই প্রবাহিত হচ্ছে।
সংশ্লিষ্ট অঞ্চলের বাসিন্দাদের প্রস্তুত থাকতে এবং আবহাওয়ার আপডেট ও স্থানীয় প্রশাসনের নির্দেশনা অনুসরণ করতে অনুরোধ জানানো হয়েছে।














