বাংলাদেশ ০২:২৪ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৫ এপ্রিল ২০২৬, ১১ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

চট্টগ্রাম বন্দর কাউকে দিচ্ছি না, শুধু বিনিয়োগ ও সংস্কার করতে চাচ্ছি

  • আপডেট সময় : ০৬:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫
  • / 46

অনলাইন ডেস্ক:

চট্টগ্রাম বন্দর কাউকে হস্তান্তর করা হচ্ছে না—এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানান, বন্দরের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার জন্য আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আহ্বান করা হলেও, এটি কোনো দেশ বা কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া হবে না।

রোববার (২৫ মে) রাজধানীতে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) আয়োজিত এক টক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শফিকুল আলম। তিনি বলেন, “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে বিনিয়োগ ও ব্যবস্থাপনায় আগ্রহ দেখিয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা তিন বিলিয়ন ডলারের আশ্বাস পেয়েছি। তবে এটিকে কাউকে দিচ্ছি না, শুধু চাচ্ছি তারা টার্মিনালগুলো ম্যানেজ করুক।”

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “৩০ জুনের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—এটাই প্রধান উপদেষ্টার দৃঢ় অবস্থান। আগের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব ছিল শুধু নির্বাচন, কিন্তু বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নির্বাচন ছাড়াও সংস্কার ও বিচার নিশ্চিত করা।”

এর আগে গত ১৪ মে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর অর্থনীতির হৃদপিণ্ড। এটিকে শক্তিশালী না করলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবাহ দুর্বল হয়ে পড়বে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এটিকে একটি আধুনিক ও কার্যকর আন্তর্জাতিক মানের বন্দর হিসেবে গড়ে তোলা।”

তবে প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্যের পর থেকেই বন্দর নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়। রাজনৈতিক দলগুলো থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠে, চট্টগ্রাম বন্দর যেন বিদেশিদের কাছে হস্তান্তর না করা হয়। এমনকি বিভিন্ন সংগঠন আন্দোলনে নেমেছে এই ইস্যুতে।

সরকারের তরফ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হচ্ছে, চট্টগ্রাম বন্দর থাকবে দেশের মালিকানায়, তবে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটি আধুনিকায়নের পথে এগিয়ে যাবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চট্টগ্রাম বন্দর কাউকে দিচ্ছি না, শুধু বিনিয়োগ ও সংস্কার করতে চাচ্ছি

আপডেট সময় : ০৬:৩২:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৫ মে ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:

চট্টগ্রাম বন্দর কাউকে হস্তান্তর করা হচ্ছে না—এমন স্পষ্ট বার্তা দিয়েছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম। তিনি জানান, বন্দরের উন্নয়ন ও ব্যবস্থাপনার জন্য আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আহ্বান করা হলেও, এটি কোনো দেশ বা কোম্পানির হাতে তুলে দেওয়া হবে না।

রোববার (২৫ মে) রাজধানীতে ক্যাপিটাল মার্কেট জার্নালিস্টস ফোরাম (সিএমজেএফ) আয়োজিত এক টক অনুষ্ঠানে এসব কথা বলেন শফিকুল আলম। তিনি বলেন, “বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় কোম্পানিগুলো চট্টগ্রাম বন্দরে বিনিয়োগ ও ব্যবস্থাপনায় আগ্রহ দেখিয়েছে। ইতোমধ্যে আমরা তিন বিলিয়ন ডলারের আশ্বাস পেয়েছি। তবে এটিকে কাউকে দিচ্ছি না, শুধু চাচ্ছি তারা টার্মিনালগুলো ম্যানেজ করুক।”

জাতীয় নির্বাচন প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “৩০ জুনের মধ্যেই জাতীয় নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে—এটাই প্রধান উপদেষ্টার দৃঢ় অবস্থান। আগের অন্তর্বর্তী সরকারের দায়িত্ব ছিল শুধু নির্বাচন, কিন্তু বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নির্বাচন ছাড়াও সংস্কার ও বিচার নিশ্চিত করা।”

এর আগে গত ১৪ মে চট্টগ্রাম বন্দর পরিদর্শনে গিয়ে প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেন, “চট্টগ্রাম বন্দর অর্থনীতির হৃদপিণ্ড। এটিকে শক্তিশালী না করলে দেশের অর্থনৈতিক প্রবাহ দুর্বল হয়ে পড়বে। আমাদের লক্ষ্য হচ্ছে এটিকে একটি আধুনিক ও কার্যকর আন্তর্জাতিক মানের বন্দর হিসেবে গড়ে তোলা।”

তবে প্রধান উপদেষ্টার এই বক্তব্যের পর থেকেই বন্দর নিয়ে নানা জল্পনা-কল্পনার সৃষ্টি হয়। রাজনৈতিক দলগুলো থেকে শুরু করে বিভিন্ন মহল থেকে দাবি ওঠে, চট্টগ্রাম বন্দর যেন বিদেশিদের কাছে হস্তান্তর না করা হয়। এমনকি বিভিন্ন সংগঠন আন্দোলনে নেমেছে এই ইস্যুতে।

সরকারের তরফ থেকে বারবার আশ্বস্ত করা হচ্ছে, চট্টগ্রাম বন্দর থাকবে দেশের মালিকানায়, তবে আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ ও ব্যবস্থাপনার মাধ্যমে এটি আধুনিকায়নের পথে এগিয়ে যাবে।