আমাকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর পারসেপশন তৈরির চেষ্টা চলছে
- আপডেট সময় : ০১:১২:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
- / 73
যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টা আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেছেন, রাজনৈতিক উদ্দেশ্যপ্রণোদিতভাবে তাকে জড়িয়ে বিভ্রান্তিকর জনমত তৈরির অপচেষ্টা চলছে। তবে তিনি এই অপপ্রচারের মুখে সত্য ও নৈতিক সাহসকেই সামনে রেখেছেন। এ কারণেই নিজের পক্ষ থেকে দুর্নীতি দমন কমিশনকে (দুদক) বিষয়টি তদন্তের জন্য অনুরোধ জানিয়েছেন বলে জানান তিনি।
শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেজে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব কথা বলেন। তিনি উল্লেখ করেন, অভিযোগ বা গুঞ্জন উঠলে তা এড়িয়ে না গিয়ে বরং তদন্তে সহায়তা করাই তার নৈতিক কর্তব্য। ইতোমধ্যেই তিনি মন্ত্রণালয়সহ সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে দুদকের সঙ্গে পূর্ণ সহযোগিতা করতে নির্দেশ দিয়েছেন বলেও জানান।
আসিফ মাহমুদ সজীব ভূঁইয়া বলেন, “যদি কেউ দুর্নীতির সঙ্গে জড়িত থাকে, সে যেই হোক, তার বিরুদ্ধে রাষ্ট্রীয় আইনের আওতায় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। এটি জুলাই গণ-অভ্যুত্থান-পরবর্তী নতুন বাংলাদেশের দৃঢ় অঙ্গীকার।” তিনি আরও বলেন, “আমরা সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানসমূহের নিরপেক্ষতা ও পেশাদারিত্বে আস্থাশীল। আমরা এমন একটি দৃষ্টান্ত স্থাপন করতে চাই, যা সুশাসন, সততা ও দায়বদ্ধতার মডেল হবে।”
এদিকে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক) যুব ও ক্রীড়া উপদেষ্টার সাবেক সহকারী ব্যক্তিগত সচিব (এপিএস) মোয়াজ্জেম হোসেনের বিদেশ গমনে নিষেধাজ্ঞা জারি করেছে এবং তার জাতীয় পরিচয়পত্র (এনআইডি) সাময়িকভাবে ব্লক করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। দুদক সূত্রে জানা গেছে, মোয়াজ্জেম হোসেন এপিএস হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে ক্ষমতার অপব্যবহার, তদবির বাণিজ্য ও টেন্ডার দুর্নীতির মাধ্যমে শত কোটি টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জনের অভিযোগ রয়েছে।
এর আগে, বৃহস্পতিবার সকাল ১১টা ৩০ মিনিট থেকে দুপুর ১২টা ৪৫ মিনিট পর্যন্ত দুদকের উপসহকারী পরিচালক মিনু আক্তার সুমির নেতৃত্বে একটি তদন্ত দল মোয়াজ্জেম হোসেনকে জিজ্ঞাসাবাদ করে। তদন্তের স্বার্থে তাকে ভবিষ্যতে আরও জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রস্তুত রাখা হচ্ছে বলে জানিয়েছে সংস্থাটি।
এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে সরকারের স্বচ্ছতা ও দুর্নীতির বিরুদ্ধে ‘জিরো টলারেন্স’ নীতির বাস্তবায়ন দৃশ্যমান হচ্ছে। রাজনৈতিক প্রভাব ছাড়াও তদন্তের স্বচ্ছতা এবং দায়িত্বশীল অবস্থান নতুন বাংলাদেশের পথে অগ্রসর হওয়ার প্রতীক হয়ে উঠছে।














