বাংলাদেশ ০১:০৫ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে কোন নির্বাচন আগে হবে

  • আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • / 50

নির্বাচনের সিক্যুয়েন্স—কোন নির্বাচন আগে হবে, আর কোনটি পরে—সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের নয় বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সিদ্ধান্ত সরকারের, কমিশনের দায়িত্ব কেবল নির্বাচন আয়োজন করা।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত কমিশন সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি কথা বলেন। তিনি জানান, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো মন্তব্য করতে চায় না।

সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার বলেন, “নির্বাচনের সিক্যুয়েন্স কোনটা আগে হবে, কোনটা পরে হবে, সেটি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সরকারই নির্ধারণ করবে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।”

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দল প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচার বিধিমালা এবং ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা নিয়ে সভায় বিশদ আলোচনা হয়েছে। উভয় নীতিমালার খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট কমিটি তা কমিশনে উপস্থাপন করবে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম শেষে তা চূড়ান্ত করা হবে।

প্রচারণা ইসির তত্ত্বাবধানে আনার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, “এটাও নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। তবে বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগবে।”

কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে রাজনৈতিক দল এনসিপি’র মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন কোনো রাজনৈতিক বক্তব্যের ওপর মন্তব্য করতে চায় না। আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছি এবং করে যাব।”

তিনি আরও বলেন, “গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৫০ অনুচ্ছেদ, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের ৫৪ ধারা, পৌরসভা নির্বাচনের বিধি ৫৪, উপজেলা ইউপি নির্বাচনের বিধিমালায় নির্বাচন কমিশনকে পক্ষভুক্ত করার কোনো বিধান নেই। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত কমিশন স্বপ্রণোদিত হয়ে পক্ষভুক্ত হয়েছে এমন কোনো নজির পাওয়া যায়নি।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

সরকারই সিদ্ধান্ত নেবে কোন নির্বাচন আগে হবে

আপডেট সময় : ১২:৫৯:৩৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

নির্বাচনের সিক্যুয়েন্স—কোন নির্বাচন আগে হবে, আর কোনটি পরে—সে বিষয়ে সিদ্ধান্ত গ্রহণের এখতিয়ার নির্বাচন কমিশনের নয় বলে জানিয়েছেন নির্বাচন কমিশনার ব্রিগেডিয়ার জেনারেল (অব.) আবুল ফজল মো. সানাউল্লাহ। সিদ্ধান্ত সরকারের, কমিশনের দায়িত্ব কেবল নির্বাচন আয়োজন করা।

বুধবার রাজধানীর আগারগাঁওয়ে নির্বাচন ভবনে অনুষ্ঠিত কমিশন সভা শেষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি কথা বলেন। তিনি জানান, রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড নিয়ে নির্বাচন কমিশন কোনো মন্তব্য করতে চায় না।

সংবাদ সম্মেলনে নির্বাচন কমিশনার বলেন, “নির্বাচনের সিক্যুয়েন্স কোনটা আগে হবে, কোনটা পরে হবে, সেটি পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে সরকারই নির্ধারণ করবে। নির্বাচন কমিশনের দায়িত্ব হচ্ছে নির্বাচন অনুষ্ঠান করা।”

তিনি আরও বলেন, রাজনৈতিক দল প্রার্থীদের নির্বাচনি প্রচার বিধিমালা এবং ভোটকেন্দ্র স্থাপন নীতিমালা নিয়ে সভায় বিশদ আলোচনা হয়েছে। উভয় নীতিমালার খসড়া নীতিগতভাবে অনুমোদন পেয়েছে। সংশ্লিষ্ট কমিটি তা কমিশনে উপস্থাপন করবে এবং প্রয়োজনীয় সংস্কার কার্যক্রম শেষে তা চূড়ান্ত করা হবে।

প্রচারণা ইসির তত্ত্বাবধানে আনার বিষয়েও সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে জানিয়ে সানাউল্লাহ বলেন, “এটাও নীতিগতভাবে অনুমোদিত হয়েছে। তবে বাস্তবায়নে কিছুটা সময় লাগবে।”

কমিশনের নিরপেক্ষতা নিয়ে রাজনৈতিক দল এনসিপি’র মন্তব্য প্রসঙ্গে তিনি বলেন, “নির্বাচন কমিশন কোনো রাজনৈতিক বক্তব্যের ওপর মন্তব্য করতে চায় না। আমরা সম্পূর্ণ নিরপেক্ষভাবে দায়িত্ব পালন করছি এবং করে যাব।”

তিনি আরও বলেন, “গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশের ৫০ অনুচ্ছেদ, স্থানীয় সরকার (সিটি করপোরেশন) আইনের ৫৪ ধারা, পৌরসভা নির্বাচনের বিধি ৫৪, উপজেলা ইউপি নির্বাচনের বিধিমালায় নির্বাচন কমিশনকে পক্ষভুক্ত করার কোনো বিধান নেই। স্বাধীনতার পর থেকে আজ পর্যন্ত কমিশন স্বপ্রণোদিত হয়ে পক্ষভুক্ত হয়েছে এমন কোনো নজির পাওয়া যায়নি।”