বিশ্বকবির ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী আজ
- আপডেট সময় : ০৮:৪৭:১১ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৮ মে ২০২৫
- / 128
মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক:
আজ ২৫ বৈশাখ, বাংলা ভাষা ও সাহিত্যের শ্রেষ্ঠ সাধক, বিশ্বকবি রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৪তম জন্মবার্ষিকী। ১২৬৮ বঙ্গাব্দে কলকাতার জোড়াসাঁকোর ঠাকুরবাড়িতে জন্মগ্রহণ করেন এই মহান সাহিত্যিক। বাংলা সাহিত্যকে বিশ্বমঞ্চে পরিচিত করে তোলা এই কবির জন্মদিন উপলক্ষে দেশব্যাপী পালিত হচ্ছে নানা অনুষ্ঠান ও সাংস্কৃতিক আয়োজন।
রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর ছিলেন একাধারে কবি, সুরকার, গীতিকার, নাট্যকার, ঔপন্যাসিক, প্রাবন্ধিক, শিক্ষাবিদ ও দার্শনিক। তার সাহিত্যকর্মে মানবতা, স্বদেশপ্রেম, প্রকৃতি ও আত্মদর্শনের এক গভীর চিত্র প্রতিফলিত হয়েছে। মাত্র আট বছর বয়সে কবিতা লেখা শুরু করে তিনি পরবর্তীকালে রচনা করেন গীতাঞ্জলি, সোনার তরী, ঘরে বাইরে, গোরা, চোখের বালি, রক্তকরবীসহ অগণিত কালজয়ী সাহিত্যকর্ম। ১৯১৩ সালে ‘গীতাঞ্জলি’ কাব্যের জন্য সাহিত্যে নোবেল পুরস্কার অর্জন করেন তিনি—যা ছিল কোনো এশীয়ের প্রথম এ স্বীকৃতি।
বিশ্বকবির জন্মবার্ষিকী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন স্থানে দিনব্যাপী পালিত হচ্ছে নানা কর্মসূচি। সবচেয়ে বড় আয়োজন অনুষ্ঠিত হচ্ছে কুষ্টিয়ার শিলাইদহ কুঠিবাড়িতে, যেখানে কবি জমিদারির কাজের পাশাপাশি সাহিত্যচর্চায় সময় কাটিয়েছেন। এ ছাড়াও নওগাঁর পতিসর, সিরাজগঞ্জের শাহজাদপুর, খুলনার দক্ষিণডিহি ও পিঠাভোগেও উদ্যাপন করা হচ্ছে দিনটি।
এবারের জন্মবার্ষিকীর প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে “রবীন্দ্রনাথ ও বাংলাদেশ”। এই উপলক্ষে ঢাকাসহ বিভিন্ন শহরে সড়কদ্বীপে বিশ্বকবির ছবি, কবিতা ও চিত্রকর্ম প্রদর্শন করা হচ্ছে। বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমিতে তিনদিনব্যাপী অনুষ্ঠানে থাকছে চিত্র প্রদর্শনী, প্রামাণ্যচিত্র প্রদর্শন এবং সংগীতানুষ্ঠান। বাংলা একাডেমি ও সংস্কৃতিবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাধীন বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানেও আলোচনা সভা ও সাংস্কৃতিক পরিবেশনা অনুষ্ঠিত হচ্ছে।
সাহিত্য-সংগীত-শিক্ষা ও মানবিক দর্শনে রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের অবদান আজও সমান প্রাসঙ্গিক। বিশ্বসভায় বাঙালি চেতনার পরিচায়ক এই কবিকে যথাযথ মর্যাদায় স্মরণ করছে পুরো জাতি।














