বাংলাদেশ ০২:৩৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ১২ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৭ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ নয়, ই-মেইলে যোগাযোগের নির্দেশনা: স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব

Md Faridul Islam
  • আপডেট সময় : ০৮:০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫
  • / 56

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী সংক্রান্ত প্রস্তাবনা চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছাতে হবে শুধুমাত্র ই-মেইলের মাধ্যমে।

সোমবার (৫ মে) সকাল ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। সেখানে স্বাস্থ্যখাতের সার্বিক উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদী কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হিসেবে সাতটি নতুন আইন প্রণয়নের প্রস্তাবও করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনগুলো হলো, ‘বাংলাদেশ স্বাস্থ্য কমিশন আইন’, ‘বাংলাদেশ হেলথ সার্ভিস আইন’, ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আইন’, ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন’, ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারণ ও প্রবেশাধিকার আইন’, ‘অ্যালায়েড হেলথ প্রফেশনাল কমিশনার আইন’ এবং ‘বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কমিশনার আইন’।

২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনায় ১২ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। সদস্য হিসেবে ছিলেন, অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাকির হোসেন, অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার, অধ্যাপক ডা. নায়লা জামান খান, সাবেক সচিব এস এম রেজা, অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক, ডা. আজহারুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, ডা. আহমেদ এহসানুর রাহমান এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী উমায়ের আফিফ।

স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের মতে, এসব সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে চিকিৎসা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, পেশাগত নৈতিকতা ও সেবার মানে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

ট্যাগস :

চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ নয়, ই-মেইলে যোগাযোগের নির্দেশনা: স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের প্রস্তাব

আপডেট সময় : ০৮:০৮:৩৪ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৫ মে ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

দেশের স্বাস্থ্যখাতে শৃঙ্খলা, স্বচ্ছতা ও জবাবদিহিতা নিশ্চিত করতে ওষুধ কোম্পানির প্রতিনিধিদের চিকিৎসকদের সঙ্গে সরাসরি সাক্ষাৎ নিষিদ্ধ করার সুপারিশ করেছে স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশন। কমিশনের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, ওষুধ ও চিকিৎসাসামগ্রী সংক্রান্ত প্রস্তাবনা চিকিৎসকদের কাছে পৌঁছাতে হবে শুধুমাত্র ই-মেইলের মাধ্যমে।

সোমবার (৫ মে) সকাল ১১টায় প্রধান উপদেষ্টার কাছে কমিশনের চূড়ান্ত প্রতিবেদন জমা দেওয়া হয়। সেখানে স্বাস্থ্যখাতের সার্বিক উন্নয়ন ও দীর্ঘমেয়াদী কাঠামোগত সংস্কারের অংশ হিসেবে সাতটি নতুন আইন প্রণয়নের প্রস্তাবও করা হয়েছে।

প্রস্তাবিত আইনগুলো হলো, ‘বাংলাদেশ স্বাস্থ্য কমিশন আইন’, ‘বাংলাদেশ হেলথ সার্ভিস আইন’, ‘প্রাথমিক স্বাস্থ্যসেবা আইন’, ‘স্বাস্থ্য সুরক্ষা আইন’, ‘ওষুধের মূল্য নির্ধারণ ও প্রবেশাধিকার আইন’, ‘অ্যালায়েড হেলথ প্রফেশনাল কমিশনার আইন’ এবং ‘বাংলাদেশ মেডিকেল রিসার্চ কমিশনার আইন’।

২০২৪ সালের ১৭ নভেম্বর অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের নির্দেশনায় ১২ সদস্যবিশিষ্ট এই কমিশন গঠন করা হয়। কমিশনের চেয়ারম্যান হিসেবে দায়িত্ব পান বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি অধ্যাপক এ কে আজাদ খান। সদস্য হিসেবে ছিলেন, অধ্যাপক ডা. মোহাম্মদ জাকির হোসেন, অধ্যাপক ডা. লিয়াকত আলী, অধ্যাপক ডা. সায়েবা আক্তার, অধ্যাপক ডা. নায়লা জামান খান, সাবেক সচিব এস এম রেজা, অধ্যাপক ডা. মোজাহেরুল হক, ডা. আজহারুল ইসলাম খান, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ মো. আকরাম হোসেন, অধ্যাপক ডা. সৈয়দ আতিকুল হক, ডা. আহমেদ এহসানুর রাহমান এবং ঢাকা মেডিকেল কলেজের পঞ্চম বর্ষের শিক্ষার্থী উমায়ের আফিফ।

স্বাস্থ্যখাত সংস্কার কমিশনের মতে, এসব সুপারিশ বাস্তবায়িত হলে চিকিৎসা ব্যবস্থার স্বচ্ছতা, পেশাগত নৈতিকতা ও সেবার মানে কাঙ্ক্ষিত পরিবর্তন আসবে।