বাংলাদেশ ০৩:৩১ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৮ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

নিরাপত্তা নিশ্চিতের পরই মিয়ানমারে ফিরবে রোহিঙ্গারা: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

Md Faridul Islam
  • আপডেট সময় : ১১:০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫
  • / 65

 

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের পূর্বশর্ত হিসেবে নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি আবারও স্পষ্ট করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

রোববার (৪ মে) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন: আঞ্চলিক নিরাপত্তার উপর প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, ‘‘রোহিঙ্গা সংকটের এখনো কার্যকর সমাধান পাইনি। শুধু আলোচনা নয়, তাদের ফিরিয়ে নিতে হলে নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতেই হবে।’’

তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের জন্য বাস্তব নিরাপত্তা না থাকলে তাদের ফেরত পাঠানো অনৈতিক। তার ভাষায়, “যে নির্যাতন থেকে তারা পালিয়ে এসেছে, আমরা কি তাদের সেই অনিরাপদ স্থানে ফেরত পাঠাবো?”

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, কেবল দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “মিয়ানমারের সঙ্গে বছরের পর বছর ধরে চলা দ্বিপাক্ষিক কূটনীতি ব্যর্থ হয়েছে। একজন রোহিঙ্গাকেও এখনো ফেরত পাঠানো যায়নি।”

বাংলাদেশে আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গা: ছবি সংগৃহীত

 

তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে বৈশ্বিক অন্যান্য সংকটের ভিড়ে রোহিঙ্গা ইস্যুটি উপেক্ষিত না হয়। তার মতে, এই সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বাস্তব পরিবর্তন প্রয়োজন মিয়ানমারে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির কথাও বলেন তিনি, যাতে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপগুলো স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয় এবং সংকটের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা যায়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টার এই বক্তব্য বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে কূটনৈতিক কৌশল ও নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

নিরাপত্তা নিশ্চিতের পরই মিয়ানমারে ফিরবে রোহিঙ্গারা: পররাষ্ট্র উপদেষ্টা

আপডেট সময় : ১১:০৯:৪৫ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ৪ মে ২০২৫

 

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক:

বাংলাদেশে আশ্রয় নেওয়া রোহিঙ্গাদের মিয়ানমারে প্রত্যাবাসনের পূর্বশর্ত হিসেবে নিরাপত্তা ও নাগরিক অধিকার নিশ্চিত করার বিষয়টি আবারও স্পষ্ট করলেন অন্তর্বর্তী সরকারের পররাষ্ট্র উপদেষ্টা মো. তৌহিদ হোসেন।

রোববার (৪ মে) বাংলাদেশ ইউনিভার্সিটি অব প্রফেশনালসে (বিইউপি) আয়োজিত ‘বাংলাদেশে আশ্রিত রোহিঙ্গাদের প্রত্যাবাসন: আঞ্চলিক নিরাপত্তার উপর প্রভাব এবং ভবিষ্যৎ’ শীর্ষক এক সেমিনারে বক্তৃতাকালে তিনি বলেন, ‘‘রোহিঙ্গা সংকটের এখনো কার্যকর সমাধান পাইনি। শুধু আলোচনা নয়, তাদের ফিরিয়ে নিতে হলে নিরাপত্তা ও অধিকার নিশ্চিত করতেই হবে।’’

তিনি জানান, রোহিঙ্গাদের জন্য বাস্তব নিরাপত্তা না থাকলে তাদের ফেরত পাঠানো অনৈতিক। তার ভাষায়, “যে নির্যাতন থেকে তারা পালিয়ে এসেছে, আমরা কি তাদের সেই অনিরাপদ স্থানে ফেরত পাঠাবো?”

পররাষ্ট্র উপদেষ্টা স্পষ্ট করে বলেন, কেবল দ্বিপাক্ষিক আলোচনার মাধ্যমে রোহিঙ্গা সংকট সমাধান সম্ভব নয়। তিনি বলেন, “মিয়ানমারের সঙ্গে বছরের পর বছর ধরে চলা দ্বিপাক্ষিক কূটনীতি ব্যর্থ হয়েছে। একজন রোহিঙ্গাকেও এখনো ফেরত পাঠানো যায়নি।”

বাংলাদেশে আশ্রয়ে থাকা রোহিঙ্গা: ছবি সংগৃহীত

 

তিনি আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের প্রতি আহ্বান জানান, যাতে বৈশ্বিক অন্যান্য সংকটের ভিড়ে রোহিঙ্গা ইস্যুটি উপেক্ষিত না হয়। তার মতে, এই সংকট সমাধানে আন্তর্জাতিকভাবে স্বীকৃত বাস্তব পরিবর্তন প্রয়োজন মিয়ানমারে।

রোহিঙ্গা প্রত্যাবাসনের জন্য একটি সুস্পষ্ট রোডম্যাপ তৈরির কথাও বলেন তিনি, যাতে ভবিষ্যৎ পদক্ষেপগুলো স্পষ্টভাবে নির্ধারিত হয় এবং সংকটের টেকসই সমাধান নিশ্চিত করা যায়।

বিশেষজ্ঞরা মনে করছেন, পররাষ্ট্র উপদেষ্টার এই বক্তব্য বাংলাদেশ সরকারের রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে কূটনৈতিক কৌশল ও নীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ ইঙ্গিত।