বাংলাদেশ ০৭:০০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

দীপ্ত টিভি বন্ধে সরকারের কোনো নির্দেশ নেই: তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম

Md Faridul Islam
  • আপডেট সময় : ১২:৫২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫
  • / 55

 

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক:

দীপ্ত টেলিভিশনের সংবাদ বিভাগ বন্ধ ও একজন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করার পেছনে সরকারের কোনো নির্দেশনা ছিল না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছরে গণমাধ্যমের বাস্তবতা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে।

মাহফুজ আলম বলেন, “আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কাউকে কোনো কল দিইনি। দীপ্ত টিভির একজন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং সংবাদ বিভাগ বন্ধ করা হয়েছে, এতে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে এটি সরকারের নির্দেশে হয়েছে। অথচ এমন কোনো নির্দেশনা সরকার থেকে দেওয়া হয়নি।”

তিনি বলেন, গণমাধ্যম নিয়ে নানা গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সাংবাদিকদের আর্থিক বাস্তবতা প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম বলেন, “গত বছরের জানুয়ারিতে আমি নিজেও একটি টেলিভিশনে চাকরির জন্য গিয়েছিলাম। আমাকে মাত্র ১৩ হাজার টাকা বেতন দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই অল্প আয়ে রাজধানীতে একজন মানুষ কীভাবে জীবন চালাবে?”

তিনি জানান, সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার ও গণমাধ্যমের টেকসই উন্নয়নে সরকার একটি গঠনমূলক রোডম্যাপ তৈরি করছে।

সভায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, একাডেমিক ও মানবাধিকারকর্মীসহ গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি অংশ নেন। আলোচনায় উঠে আসে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মালিকপক্ষের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ, সাংবাদিকদের চাকরির নিরাপত্তা, বেতন বৈষম্য এবং রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ইত্যাদি প্রসঙ্গ।

প্রাসঙ্গিক দিক বিবেচনায় বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমকে টিকে থাকতে হলে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, ন্যায্য পারিশ্রমিক এবং কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

দীপ্ত টিভি বন্ধে সরকারের কোনো নির্দেশ নেই: তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম

আপডেট সময় : ১২:৫২:১০ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৫

 

মনোযোগ প্রকাশ ডেস্ক:

দীপ্ত টেলিভিশনের সংবাদ বিভাগ বন্ধ ও একজন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করার পেছনে সরকারের কোনো নির্দেশনা ছিল না বলে জানিয়েছেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও সম্প্রচারবিষয়ক উপদেষ্টা মাহফুজ আলম।

মঙ্গলবার (২৯ এপ্রিল) সন্ধ্যায় সচিবালয়ে ‘ফ্যাসিবাদের ১৫ বছরে গণমাধ্যমের বাস্তবতা’ শীর্ষক এক মতবিনিময় সভায় তিনি এ কথা বলেন। সভাটি অনুষ্ঠিত হয় তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে।

মাহফুজ আলম বলেন, “আমরা সরকারের পক্ষ থেকে এখন পর্যন্ত কাউকে কোনো কল দিইনি। দীপ্ত টিভির একজন সাংবাদিককে চাকরিচ্যুত করা হয়েছে এবং সংবাদ বিভাগ বন্ধ করা হয়েছে, এতে মানুষের মধ্যে ভুল ধারণা তৈরি হয়েছে যে এটি সরকারের নির্দেশে হয়েছে। অথচ এমন কোনো নির্দেশনা সরকার থেকে দেওয়া হয়নি।”

তিনি বলেন, গণমাধ্যম নিয়ে নানা গুজব ছড়ানো হচ্ছে, যা বাস্তবতার সঙ্গে সামঞ্জস্যপূর্ণ নয়।

সাংবাদিকদের আর্থিক বাস্তবতা প্রসঙ্গে মাহফুজ আলম বলেন, “গত বছরের জানুয়ারিতে আমি নিজেও একটি টেলিভিশনে চাকরির জন্য গিয়েছিলাম। আমাকে মাত্র ১৩ হাজার টাকা বেতন দেওয়ার প্রস্তাব দেওয়া হয়। এই অল্প আয়ে রাজধানীতে একজন মানুষ কীভাবে জীবন চালাবে?”

তিনি জানান, সাংবাদিকদের ন্যায্য অধিকার ও গণমাধ্যমের টেকসই উন্নয়নে সরকার একটি গঠনমূলক রোডম্যাপ তৈরি করছে।

সভায় গণমাধ্যম সংস্কার কমিশনের প্রধান কামাল আহমেদ, জ্যেষ্ঠ সাংবাদিক, একাডেমিক ও মানবাধিকারকর্মীসহ গণমাধ্যম সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন ব্যক্তি অংশ নেন। আলোচনায় উঠে আসে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা, মালিকপক্ষের একচ্ছত্র নিয়ন্ত্রণ, সাংবাদিকদের চাকরির নিরাপত্তা, বেতন বৈষম্য এবং রাষ্ট্রের হস্তক্ষেপ ইত্যাদি প্রসঙ্গ।

প্রাসঙ্গিক দিক বিবেচনায় বক্তারা বলেন, গণমাধ্যমকে টিকে থাকতে হলে সাংবাদিকদের পেশাগত মর্যাদা, ন্যায্য পারিশ্রমিক এবং কর্মপরিবেশ নিশ্চিত করতে হবে।