আজ ২৬ শে মার্চ মহান স্বাধীনতা দিবস
- আপডেট সময় : ০৬:২৭:১৮ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৬ মার্চ ২০২৫
- / 86
আজ ২৬ মার্চ, মহান স্বাধীনতা ও জাতীয় দিবস। দিনটি যথাযোগ্য মর্যাদায় উদযাপনের জন্য জাতীয় পর্যায়ে বিভিন্ন কর্মসূচি গ্রহণ করা হয়েছে।
স্বাধীনতা দিবস উপলক্ষে সকল সরকারি, আধা-সরকারি, স্বায়ত্তশাসিত ও বেসরকারি ভবনে সূর্যোদয়ের সঙ্গে সঙ্গে জাতীয় পতাকা উত্তোলন করা হবে। রাজধানীর গুরুত্বপূর্ণ ভবন ও স্থাপনাসমূহ আলোকসজ্জায় সজ্জিত করা হবে।
জাতীয় স্মৃতিসৌধে বীর শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে নেওয়া হয়েছে বিশেষ প্রস্তুতি। স্মৃতিসৌধ প্রাঙ্গণ ধুয়ে-মুছে নতুন রূপ দেওয়া হয়েছে। নিরাপত্তা ব্যবস্থা জোরদার করা হয়েছে, ওয়াচ টাওয়ার ও সিসিটিভি ক্যামেরার মাধ্যমে সার্বক্ষণিক নজরদারি রাখা হবে।
সকালে ঢাকাসহ সারাদেশে একত্রিশবার তোপধ্বনির মাধ্যমে দিবসটির সূচনা হবে। এরপর প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস জাতীয় স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন। মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক উপদেষ্টার নেতৃত্বে বীরশ্রেষ্ঠ পরিবারের সদস্য, যুদ্ধাহত মুক্তিযোদ্ধা ও অন্যান্য মুক্তিযোদ্ধারাও শ্রদ্ধা জানাবেন। বিদেশি কূটনীতিক, রাজনৈতিক ও সামাজিক সংগঠনসহ সর্বস্তরের মানুষ শহীদদের প্রতি শ্রদ্ধা জানাতে স্মৃতিসৌধে পুষ্পস্তবক অর্পণ করবেন।
জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের স্মৃতিসৌধেও শ্রদ্ধা নিবেদন করা হবে। জাতীয় পতাকা উত্তোলন, জাতীয় সংগীত পরিবেশন, শিক্ষার্থীদের কুচকাওয়াজ ও সমাবেশ অনুষ্ঠিত হবে। ঢাকাসহ দেশের প্রধান সড়ক ও সড়কদ্বীপসমূহ জাতীয় পতাকায় সজ্জিত করা হবে।
আজ সরকারি ছুটি। দিবসটি উপলক্ষে প্রধান উপদেষ্টা বিশেষ বাণী দিয়েছেন। সংবাদপত্রসমূহ বিশেষ ক্রোড়পত্র প্রকাশ করবে এবং ইলেকট্রনিক মিডিয়াগুলো মাসব্যাপী মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক অনুষ্ঠান প্রচার করবে।
বাংলাদেশ শিল্পকলা একাডেমি, বাংলা একাডেমি, জাতীয় জাদুঘর, মুক্তিযুদ্ধ জাদুঘর, বাংলাদেশ শিশু একাডেমিসহ বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক সংগঠন মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক আলোচনা, সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান, চিত্রাঙ্কন, রচনা ও ক্রীড়া প্রতিযোগিতা এবং মুক্তিযুদ্ধভিত্তিক প্রামাণ্যচিত্র ও চলচ্চিত্র প্রদর্শনের আয়োজন করেছে।
এছাড়া মহানগর, জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে বীর মুক্তিযোদ্ধা ও শহীদ পরিবারের সদস্যদের সংবর্ধনা দেওয়া হবে। দেশের শান্তি ও সমৃদ্ধির জন্য ধর্মীয় প্রতিষ্ঠানগুলোতে বিশেষ দোয়া ও উপাসনার আয়োজন করা হয়েছে। হাসপাতাল, জেলখানা, শিশু পরিবার, বৃদ্ধাশ্রম ও ভবঘুরে প্রতিষ্ঠানসমূহে বিশেষ খাবার পরিবেশন করা হবে।
সকল শিশুপার্ক ও জাদুঘর দর্শনার্থীদের জন্য উন্মুক্ত রাখা হবে। চট্টগ্রাম, খুলনা, মোংলা ও পায়রা বন্দর এবং ঢাকার সদরঘাটসহ বিভিন্ন নৌবন্দর এলাকায় নৌবাহিনী ও কোস্টগার্ডের জাহাজ সাধারণ মানুষের পরিদর্শনের জন্য খোলা থাকবে।
বিদেশে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসগুলোতেও দিবসটির তাৎপর্য তুলে ধরে অনুরূপ কর্মসূচি পালন করা হবে।














