ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন: কুড়িগ্রাম-৪ আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশী অধ্যক্ষ মাহবুবুর রশিদ মন্ডল
- আপডেট সময় : ০৫:১৪:৩৬ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ জুন ২০২৫
- / 83
রাজিবপুর প্রতিনিধি: আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুড়িগ্রাম-৪ (রাজিবপুর-রৌমারী-চিলমারী) আসনে বিএনপির মনোনয়ন প্রত্যাশীদের তালিকায় অন্যতম আলোচিত নাম অধ্যক্ষ মাহবুবুর রশীদ মন্ডল। তিনি রাজিবপুর উপজেলা বিএনপির সাবেক সিনিয়র সহ-সভাপতি ও ভারপ্রাপ্ত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করেছেন দীর্ঘদিন। উপজেলা ছাত্রদলের একাধিক গুরুত্বপূর্ণ পদে দায়িত্ব পালনের পাশাপাশি দীর্ঘদিন উপজেলা যুবদলের সভাপতি ও উপজেলা জিয়া পরিষদের সভাপতি হিসেবেও দায়িত্ব পালন করেছেন অত্যন্ত দক্ষতার সাথে।
ছাত্র রাজনীতির মধ্য দিয়ে বেড়ে ওঠা দক্ষ সংগঠক,অভিজ্ঞ ও আদর্শনিষ্ঠ শিক্ষকতা পেশার পাশাপাশি বিশিষ্ট্য সাংস্কৃতিক ও ক্রিয়া ব্যক্তিত্ব অধ্যক্ষ মাহবুবুর রশীদ মন্ডল ছাত্র জীবন থেকেই পারিবারিকভাবে যুক্ত আছেন জাতীয়তাবাদী দলের রাজনীতির সঙ্গে। বিভিন্ন দুঃসময়ে তিনি দল এবং কর্মীদের পাশে থেকে সাহসী ও সংগ্রামী ভূমিকা পালন করেছেন।অর্থ ও ক্ষমতার মোহে ছুটে না গিয়ে আদর্শের প্রশ্নে আপোষহীন থেকেছেন,যা তাকে কর্মী-সমর্থকদের কাছে একজন বিশ্বাসযোগ্য, নির্লোভ ও নিরহংকারী নেতা হিসেবে গড়ে তুলেছে।
তিনি বলেন,“রাজিবপুর-রৌমারী ও চিলমারীর মানুষ বছরের পর বছর উন্নয়নের ছোঁয়া থেকে বঞ্চিত। এই অঞ্চলে অবকাঠামো উন্নয়ন, নদীভাঙন রোধ, শিক্ষা ও স্বাস্থ্যসেবার প্রসারে আমি কার্যকর পদক্ষেপ গ্রহণ করবো।”
অগ্রাধিকার ভিত্তিতে তিনি যেসব প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন তার মধ্যে রয়েছে: মুক্তিযুদ্ধের”মুক্তাঞ্চল খ্যাত রৌমারী-রাজিবপুর” কে রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি, রৌমারী বন্দরকে পূর্ণাঙ্গ স্থল বন্দর করা,রাজিবপুর-রৌমারী-চিলমারী সড়ক ও নৌ-পরিবহন ব্যবস্থার উন্নয়ন, নতুন সেতু নির্মাণ, চরাঞ্চলে নতুন স্কুল,কলেজ ও কমিউনিটি ক্লিনিক স্থাপন, নদীভাঙন রোধে টেকসই বাঁধ নির্মাণ ও নদী শাসন,শিক্ষিত বেকার যুবকদের জন্য তথ্যপ্রযুক্তি ও কৃষিভিত্তিক প্রশিক্ষণ কেন্দ্র স্থাপন, কৃষকদের পণ্যের সুষ্ঠু বাজারজাতকরণে “কৃষিজাত পণ্য প্রক্রিয়াকরন অঞ্চল”প্রতিষ্ঠা। মাদক ও দুর্নীতিমুক্ত বৈষম্যহীন মানবিক সমাজ গঠনে সচেতনতা মূলক কার্যক্রম বাস্তবায়ন।
দলীয় ঐক্য ও আন্দোলনে সক্রিয় অধ্যক্ষ মাহবুবুর রশীদ মন্ডল বলেন, “বিএনপির প্রত্যেক নেতা-কর্মীই দল ও গণতন্ত্রের জন্য গুরুত্বপূর্ণ।মনোনয়ন যারই হোক না কেন,সবাই মিলে ঐক্যবদ্ধভাবে কাজ করতে হবে। এই আন্দোলন গণতন্ত্র ফিরিয়ে আনার,জনগণের অধিকার প্রতিষ্ঠার।”
স্থানীয় বাসিন্দারা বলছেন,অধ্যক্ষ মাহবুব একজন সৎ, শিক্ষিত ও নির্লোভ রাজনীতিবিদ। তিনি শিক্ষাক্ষেত্রে যেমন অবদান রেখেছেন, তেমনি সমাজ সেবায়ও তার ভূমিকাপ্রশংসনীয়। অনেকেই মনে করেন, তিনি মনোনয়ন পেলে ও নির্বাচিত হলে এ অঞ্চলের দীর্ঘদিনের বঞ্চনার অবসান ঘটবে।













