বাংলাদেশ ০১:০৩ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ

  • আপডেট সময় : ০৩:১১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫
  • / 46

রৌমারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে নয়ন মিয়ার নামের যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত বুধবার (১১ জুন) রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা। শনিবার (৭ জুন) এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ১০দিন অতিবাহিত হলেও এখন কোনো সন্ধান মেলেনি ওই শিক্ষার্থীর।
অভিযুক্ত নয়ন মিয়া উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের শৌলমারী সবুজপাড়া এলাকার জিয়ারুলের ছেলে।

কোনো প্রতিকার না পেয়ে সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়ে উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করে ও একই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে অভিযুক্ত নয়ন মিয়াও। গত শনিবার (৭ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে সুতিপাড় এলাকার সেতুতে ওই অভিযুক্তের সঙ্গে তার মেয়েকে বসে থাকতে দেখেন তিনি। তাকে দেখামাত্র স্থানীয় একটি বসতবাড়িতে দু’জনই দৌড় দিয়ে পালায়। এ সময় ওই বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে কেউ আসেনি বলে অস্বীকার করেন মালিক। ওই দিন আর বাড়িতে ফেরেনি ওই শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা আরও বলেন, তিনিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে যান অভিযুক্তের বাড়িতে। তারা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায় স্বীকার করেন ও ওই শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে দেওয়া জন্য এক দিন সময় নেওয়া হয়। পরে তার শিক্ষার্থীকে ফেরৎ না দিয়ে টালবাহানা ও ওই শিক্ষার্থী সম্পর্কে কিছুই জানেন বলে সমস্ত ঘটনা অস্বীকার করছেন অভিযুক্তের পরিবারের লোকজন।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে অপহরণ করেছে নয়ন মিয়া। আমার মেয়েকে ফেরৎ চাই।
প্রত্যক্ষদর্শী মুকুল মিয়া, জয়নাল আবেদীন জানান, ঘটনার ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীকে দেখতে পান রৌমারী বাজার ভোলার মোড়ে। এরপর কোথায় যায় ওই শিক্ষার্থীরা আর বলতে পারেন না তারা।

অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে কথা হয় অভিযুক্তের বাবা জিয়ারুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার ছেলে অপহরণ করেনি। সে বাড়িতে আছে।
রৌমারী থানার ওসি লুৎফর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজ বলেন, এ ঘটনায় প্রথমে অভিযোগ করে ও পরে মিসিং জিডি করা হয়।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ

আপডেট সময় : ০৩:১১:১৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৬ জুন ২০২৫

রৌমারী(কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রৌমারীতে ষষ্ঠ শ্রেণির এক মাদ্রাসা শিক্ষার্থীকে অপহরণের অভিযোগ উঠেছে নয়ন মিয়ার নামের যুবকের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় গত বুধবার (১১ জুন) রৌমারী থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেন ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা। শনিবার (৭ জুন) এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনার ১০দিন অতিবাহিত হলেও এখন কোনো সন্ধান মেলেনি ওই শিক্ষার্থীর।
অভিযুক্ত নয়ন মিয়া উপজেলার শৌলমারী ইউনিয়নের শৌলমারী সবুজপাড়া এলাকার জিয়ারুলের ছেলে।

কোনো প্রতিকার না পেয়ে সোমবার দুপুরে ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা অভিযোগ করে বলেন, তার মেয়ে উপজেলার একটি মাদ্রাসায় ষষ্ঠ শ্রেণিতে লেখাপড়া করে ও একই প্রতিষ্ঠানে লেখাপড়া করে অভিযুক্ত নয়ন মিয়াও। গত শনিবার (৭ জুন) দুপুর দেড়টার দিকে সুতিপাড় এলাকার সেতুতে ওই অভিযুক্তের সঙ্গে তার মেয়েকে বসে থাকতে দেখেন তিনি। তাকে দেখামাত্র স্থানীয় একটি বসতবাড়িতে দু’জনই দৌড় দিয়ে পালায়। এ সময় ওই বাড়িতে গিয়ে জিজ্ঞাসা করলে কেউ আসেনি বলে অস্বীকার করেন মালিক। ওই দিন আর বাড়িতে ফেরেনি ওই শিক্ষার্থী।

ভুক্তভোগি ওই শিক্ষার্থীর বাবা আরও বলেন, তিনিসহ স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিরা ওই শিক্ষার্থীকে উদ্ধার করতে যান অভিযুক্তের বাড়িতে। তারা প্রথমে অস্বীকার করলেও পরে প্রত্যক্ষদর্শীদের কথায় স্বীকার করেন ও ওই শিক্ষার্থীকে ফিরিয়ে দেওয়া জন্য এক দিন সময় নেওয়া হয়। পরে তার শিক্ষার্থীকে ফেরৎ না দিয়ে টালবাহানা ও ওই শিক্ষার্থী সম্পর্কে কিছুই জানেন বলে সমস্ত ঘটনা অস্বীকার করছেন অভিযুক্তের পরিবারের লোকজন।

তিনি আরও অভিযোগ করে বলেন, আমার মেয়েকে অপহরণ করেছে নয়ন মিয়া। আমার মেয়েকে ফেরৎ চাই।
প্রত্যক্ষদর্শী মুকুল মিয়া, জয়নাল আবেদীন জানান, ঘটনার ওইদিন দুপুর ১২টার দিকে অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার সঙ্গে ওই শিক্ষার্থীকে দেখতে পান রৌমারী বাজার ভোলার মোড়ে। এরপর কোথায় যায় ওই শিক্ষার্থীরা আর বলতে পারেন না তারা।

অভিযুক্ত নয়ন মিয়ার মোবাইল ফোনে একাধিকবার কল করলেও তা বন্ধ পাওয়া যায়।
তবে কথা হয় অভিযুক্তের বাবা জিয়ারুলের সঙ্গে। তিনি বলেন, আমার ছেলে অপহরণ করেনি। সে বাড়িতে আছে।
রৌমারী থানার ওসি লুৎফর রহমানের সঙ্গে যোগাযোগ করলে তিনি উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজের সঙ্গে কথা বলতে বলেন। উপপরিদর্শক (এসআই) শাহনেওয়াজ বলেন, এ ঘটনায় প্রথমে অভিযোগ করে ও পরে মিসিং জিডি করা হয়।