বাংলাদেশ ০৫:৫০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২৯ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

রৌমারীতে বালু উত্তোলনে সরকারি জিও ব্যাগ নদী গর্ভে বিলিন । হুমকির মুখে অর্ধকোটি টাকার ব্রীজ

  • আপডেট সময় : ১২:৩৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩
  • / 116

 

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ রৌমারী উপজেলায় হলহলি নদীর চরে অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করায় সরকারি বরাদ্দের লক্ষ লক্ষ টাকার জিও ব্যাগ নদী গর্ভে বিলিন ও হুমকির মুখে পড়েছে মিয়ারচর মুখতলার অর্ধকোটি টাকার ব্রীজ। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বালু উত্তোলনে চ্যালেঞ্চ করছেন বালু ব্যবসায়ী ও ড্রেজার মালিক মুকুল ও মফিজ উদ্দিন। সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়ারচর মুখতলা হলহলি নদী থেকে প্রায় এক বছর থেকে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে মুকুল ও মফিজ উদ্দিন নামের দুই ব্যক্তি। বালু উত্তোলন করায় নতুন করে নদী ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। গতবছর বন্যার পানির রৌমারীতে ওই এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দেয় এবং প্রায় ৫০টি পরিবার ভুমিহীন হয়। পরে স্থানীয়রা নদী ভাঙ্গনরোধে উপজেলা প্রশাসনকে লিখিত আবেদন দিলে তারা সরেজমিনে তদন্ত করে জিও ব্যাগ দিয়ে নদী ভাঙ্গনরোধ করে। এর কিছু দিন পর ওই এলাকায় মফিজ উদ্দিন ক্ষমতার দাপটে নদীতে দুটি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বেপরোয়া ভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে মিয়ারচর মুখতলার ওই ব্রীজটি। অন্য দিকে একই ইউনিয়নের গাছবাড়ি এলাকায় হলহলি নদী থেকে একই ভাবে বালু উত্তোলন করছেন মুকুল মিয়া। এলাকার লোকজন বাধা দিতে গেলে জমির মালিক ও বাধা প্রদানকারিকে নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে ওই বালু ব্যবসায়ী। ড্রেজার মালিক মফিজ উদ্দিন নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করে অন্যের কাছে প্রতি ১ হাজার বালু ৪ থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি করছেন। মফিজের ভাষ্যমতে সবাইকে ম্যানেজ করেই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালু উত্তোলনে ৪০—৫০ ফুট গভীরতার সৃষ্টি হয়। এর ফলে প্রতিদিন বিশাল আকারে জমি ভেঙ্গে যাচ্ছে। সরকারি ভাবে জিও ব্যাগ ফেলে নদী ভাঙ্গনরোধ করার পরিকল্পনা ভেস্তে যাচ্ছে। অপর দিকে ভাঙ্গন বৃদ্ধি পেয়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তনসহ ব্রীজ, স্থানীয়দের বসতিবাড়ি ও আবাদি জমি ভেঙ্গে যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হুমকির মুখে পড়বে কয়েকটি গ্রাম।  স্থানীয়বাসিন্দা নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধীক ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন থেকে এ জায়গায় বালু তুলছেন। তাতে ফসলি জমি ও বসতবাড়ি ভেঙ্গে গেছে। কিছু বলতে গেলে নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ বি এম সরোয়ার রাব্বির এর সরকারি মোবাইল নম্বরে কল করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

কুড়িগ্রাম,০৬ জুন (মনোযোগ প্রকাশ.কম)//এমএইচ

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

রৌমারীতে বালু উত্তোলনে সরকারি জিও ব্যাগ নদী গর্ভে বিলিন । হুমকির মুখে অর্ধকোটি টাকার ব্রীজ

আপডেট সময় : ১২:৩৭:২২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জুন ২০২৩

 

রৌমারী (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধিঃ রৌমারী উপজেলায় হলহলি নদীর চরে অবৈধ ভাবে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে বালু উত্তোলন করায় সরকারি বরাদ্দের লক্ষ লক্ষ টাকার জিও ব্যাগ নদী গর্ভে বিলিন ও হুমকির মুখে পড়েছে মিয়ারচর মুখতলার অর্ধকোটি টাকার ব্রীজ। এ বিষয়ে উপজেলা প্রশাসনের কাছে বারবার অভিযোগ দিলেও কোন ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি।বালু উত্তোলনে চ্যালেঞ্চ করছেন বালু ব্যবসায়ী ও ড্রেজার মালিক মুকুল ও মফিজ উদ্দিন। সোমবার সরেজমিনে দেখা গেছে উপজেলার দাঁতভাঙ্গা ইউনিয়নের মিয়ারচর মুখতলা হলহলি নদী থেকে প্রায় এক বছর থেকে ড্রেজার মেশিনের মাধ্যমে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে মুকুল ও মফিজ উদ্দিন নামের দুই ব্যক্তি। বালু উত্তোলন করায় নতুন করে নদী ভাঙ্গনের সৃষ্টি হয়েছে। গতবছর বন্যার পানির রৌমারীতে ওই এলাকায় ভাঙ্গন দেখা দেয় এবং প্রায় ৫০টি পরিবার ভুমিহীন হয়। পরে স্থানীয়রা নদী ভাঙ্গনরোধে উপজেলা প্রশাসনকে লিখিত আবেদন দিলে তারা সরেজমিনে তদন্ত করে জিও ব্যাগ দিয়ে নদী ভাঙ্গনরোধ করে। এর কিছু দিন পর ওই এলাকায় মফিজ উদ্দিন ক্ষমতার দাপটে নদীতে দুটি ড্রেজার মেশিন বসিয়ে বেপরোয়া ভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। ফলে হুমকির মুখে পড়েছে মিয়ারচর মুখতলার ওই ব্রীজটি। অন্য দিকে একই ইউনিয়নের গাছবাড়ি এলাকায় হলহলি নদী থেকে একই ভাবে বালু উত্তোলন করছেন মুকুল মিয়া। এলাকার লোকজন বাধা দিতে গেলে জমির মালিক ও বাধা প্রদানকারিকে নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে ওই বালু ব্যবসায়ী। ড্রেজার মালিক মফিজ উদ্দিন নদীর তলদেশ থেকে বালু উত্তোলন করে অন্যের কাছে প্রতি ১ হাজার বালু ৪ থেকে ৫ হাজার টাকায় বিক্রি করছেন। মফিজের ভাষ্যমতে সবাইকে ম্যানেজ করেই বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালু উত্তোলনে ৪০—৫০ ফুট গভীরতার সৃষ্টি হয়। এর ফলে প্রতিদিন বিশাল আকারে জমি ভেঙ্গে যাচ্ছে। সরকারি ভাবে জিও ব্যাগ ফেলে নদী ভাঙ্গনরোধ করার পরিকল্পনা ভেস্তে যাচ্ছে। অপর দিকে ভাঙ্গন বৃদ্ধি পেয়ে নদীর গতিপথ পরিবর্তনসহ ব্রীজ, স্থানীয়দের বসতিবাড়ি ও আবাদি জমি ভেঙ্গে যাচ্ছে। দ্রুত ব্যবস্থা না নিলে হুমকির মুখে পড়বে কয়েকটি গ্রাম।  স্থানীয়বাসিন্দা নাম প্রকাশ্যে অনিচ্ছুক একাধীক ব্যক্তি জানান, দীর্ঘদিন থেকে এ জায়গায় বালু তুলছেন। তাতে ফসলি জমি ও বসতবাড়ি ভেঙ্গে গেছে। কিছু বলতে গেলে নানা ভাবে ভয়ভীতি দেখায়। উপজেলা নির্বাহী অফিসার এ বি এম সরোয়ার রাব্বির এর সরকারি মোবাইল নম্বরে কল করেও কথা বলা সম্ভব হয়নি।

কুড়িগ্রাম,০৬ জুন (মনোযোগ প্রকাশ.কম)//এমএইচ