বাংলাদেশ ১০:২৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ তালিকায় রৌমারীর ইউএনও উজ্জ্বল কুমার হালদার

Md Faridul Islam
  • আপডেট সময় : ১০:৪২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫
  • / 56

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে সহিংস ভূমিকার অভিযোগ তুলে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ‘জুলাই ঐক্য’ নামের একটি সংগঠন। মঙ্গলবার (২০ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘সচিবালয়ে ও প্রশাসনে কর্মরত ফ্যাসিবাদের দোসরদের তালিকা প্রকাশ’ শিরোনামে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বর্তমান ইউএনও উজ্জ্বল কুমার হালদারের নামও রয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী, উজ্জ্বল কুমার হালদার ২০২৪ সালে ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বিজিবির ল্যান্স নায়েক মোস্তফাকে সাবমেশিনগান (এসএমজি) দিয়ে সাত রাউন্ড গুলি ছোড়ার নির্দেশ দেন। যদিও ঐ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

তালিকাটির একটি কপি এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে, যেখানে উজ্জ্বল কুমার হালদারের নাম রয়েছে ৫ নম্বরে। আরও জানা গেছে, তিনি ওই সময় ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ছিলেন এবং আন্দোলন দমনে মোট ৯ দিন বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন।

উজ্জ্বল কুমার হালদার ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ইউএনও হিসেবে যোগ দেন। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে জানতে তার সরকারি ও ব্যক্তিগত ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া মেলেনি। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তারও কোনও জবাব দেননি তিনি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকেও পাওয়া যায়নি।

এই তালিকা নিয়ে প্রশাসন বা সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। তবে এ ধরনের অভিযোগ ও তালিকা প্রশাসনিক মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।

 

 

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ তালিকায় রৌমারীর ইউএনও উজ্জ্বল কুমার হালদার

আপডেট সময় : ১০:৪২:৪৩ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২১ মে ২০২৫

 

নিজস্ব প্রতিবেদক:

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র-জনতার আন্দোলন দমনে সহিংস ভূমিকার অভিযোগ তুলে ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ আখ্যা দিয়ে একটি তালিকা প্রকাশ করেছে ‘জুলাই ঐক্য’ নামের একটি সংগঠন। মঙ্গলবার (২০ মে) জাতীয় প্রেস ক্লাবে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে ‘সচিবালয়ে ও প্রশাসনে কর্মরত ফ্যাসিবাদের দোসরদের তালিকা প্রকাশ’ শিরোনামে এই তালিকা প্রকাশ করা হয়। এতে কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার বর্তমান ইউএনও উজ্জ্বল কুমার হালদারের নামও রয়েছে।

তালিকা অনুযায়ী, উজ্জ্বল কুমার হালদার ২০২৪ সালে ঢাকায় বৈষম্যবিরোধী আন্দোলন চলাকালে ঢাকার যাত্রাবাড়ী এলাকায় আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সঙ্গে দায়িত্ব পালনকালে আন্দোলনকারীদের ওপর গুলি চালানোর নির্দেশ দিয়েছিলেন। অভিযোগ রয়েছে, ২০২৪ সালের ১৮ জুলাই সকাল ৮টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত তিনি দায়িত্বে থাকা অবস্থায় বিজিবির ল্যান্স নায়েক মোস্তফাকে সাবমেশিনগান (এসএমজি) দিয়ে সাত রাউন্ড গুলি ছোড়ার নির্দেশ দেন। যদিও ঐ ঘটনায় কেউ হতাহত হননি বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ রয়েছে।

তালিকাটির একটি কপি এই প্রতিবেদকের হাতে এসেছে, যেখানে উজ্জ্বল কুমার হালদারের নাম রয়েছে ৫ নম্বরে। আরও জানা গেছে, তিনি ওই সময় ঢাকা জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের সিনিয়র সহকারী কমিশনার ছিলেন এবং আন্দোলন দমনে মোট ৯ দিন বিভিন্ন এলাকায় দায়িত্ব পালন করেন।

উজ্জ্বল কুমার হালদার ২০২৫ সালের ২৭ জানুয়ারি কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলার ইউএনও হিসেবে যোগ দেন। তার বিরুদ্ধে উত্থাপিত অভিযোগ সম্পর্কে জানতে তার সরকারি ও ব্যক্তিগত ফোন নম্বরে একাধিকবার কল করা হলেও সাড়া মেলেনি। হোয়াটসঅ্যাপে পাঠানো বার্তারও কোনও জবাব দেননি তিনি।

এ বিষয়ে কুড়িগ্রাম জেলা প্রশাসক নুসরাত সুলতানার সঙ্গে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলেও তাকেও পাওয়া যায়নি।

এই তালিকা নিয়ে প্রশাসন বা সংশ্লিষ্টদের আনুষ্ঠানিক প্রতিক্রিয়া এখনো পাওয়া যায়নি। তবে এ ধরনের অভিযোগ ও তালিকা প্রশাসনিক মহলে তীব্র আলোচনার জন্ম দিয়েছে।