রৌমারীতে সরকারি জমি দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ
- আপডেট সময় : ১০:৪৭:১৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৩ মে ২০২৫
- / 48
বিশেষ প্রতিনিধি:
কুড়িগ্রামের রৌমারী উপজেলা পরিষদের সরকারি জমি দখল করে বসতবাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করা হচ্ছে। সাজেদা খাতুন নামের এক নারীর বিরুদ্ধ এই অভিযোগ উঠেছে। ঘটনাটি উপজেলার পরিষদের বিএডিসি ভবন এলাকার। তবে এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ স্থানীয় প্রশাসন নিচ্ছেন না বলে অভিযোগ এলাকাবাসীর।

অভিযুক্ত নারী সাজেদা খাতুন উপজেলার সদর ফায়ার সার্ভিস পূর্ব এলাকার মৃত মজনু মিয়ার স্ত্রী।
অভিযোগ রয়েছে, অন্য এক জায়গায় নির্মাণ করা পাকা বাড়ি থাকা শর্তেও উপজেলা প্রশাসনের নাকের ডগায় অবৈধভাবে বসতবাড়ি করে উপজেলা পরিষদের জমি দখলে রেখেছেন ও ওই বাড়িতে বসবাস করছেন সাজেদা খাতুন নামে এক নারী। কিন্তু এ ব্যাপারে কোনো পদক্ষেপ নিচ্ছেন না স্থানী প্রশাসন।
সম্প্রতি সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলা পরিষদের বিএডিসি ভবন লাগোয়া বসতবাড়ি নির্মাণ করে দখলে রেখেছেন সাজেদা খাতুন নামের এক নারী। ওই বাড়িতে বসবাস করছেন তিনিসহ তার এক সন্তান। অথচ উপজেলার ফায়ার সার্ভিসের সামনে মহাসড়কের পূর্বপাশে পাকা বাড়ি নির্মাণ করা রয়েছে ওই নারীর। এরপরও উপজেলা পরিষদের সরকারি জমিতে বাড়ি নির্মাণ করে বাস করছে তিনি।
নাম প্রকাশ না করার শর্তে এক ব্যক্তি বলেন, ওই নারীর ফায়ার সার্ভিসের সামনের রাস্তার পূর্বপাশে এক জায়গায় পাকা বাড়ি রয়েছে। কিন্তু তারপরও উপজেলা পরিষদের সরকারি জায়গা দখল করে বাড়ি করে বসবাস করছেন সাজেদা খাতুন। তিনি আরও বলেন, তার অন্য জায়গায় নির্মাণ করা পাকা বাড়ি ভাড়া দেওয়ার উদ্দ্যেশ্যে ওই নারী সরকারি জায়গায় বাড়ি করে বাস করছেন।
অভিযুক্ত নারী সাজেদা খাতুনের বলেন, উপজেলার সরকারি ওই জমিতে দীর্ঘ ২৫ বছর ধরে বসবাস করে আসছেন। আমার স্বামী তৎকালীন ইউএনও কে বলে বাড়িটি করে দিয়ে গেছেন।
নিজের পাকা বাড়ি রেখে সরকারি জমি দখল করে বাড়ি নির্মাণ করে বসবাস করার বিষয়ে জানতে চাইলে তিনি আরও বলেন, আমার ওই বাড়িতে যাওয়ার কোনো রাস্তা নেই। এই জন্য এখানে থাকি। তবে শর্তসাপেক্ষ সরকারি জমি ছেড়ে দেওয়ার কথা জানান তিনি।
রৌমারী উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উজ্জ্বল কুমার হালদার বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই। অন্য এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, উপজেলা পরিষদের জায়গা অবৈধভাবে দখলে রাখার কোনো সুযোগ নেই। খোঁজ-খবর নিয়ে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।













