বাংলাদেশ ০৩:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ  

  • আপডেট সময় : ০৫:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫
  • / 83

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা প্রতিনিধি মেহেদী হাসানকে মারধর ও তার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে শিহাব (৩০), সামসুল আলম (৫৫) , সিরাজুল ইসলাম (২৬) এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ‘মা’ শাহিদা বেগম শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ৯টায় রাজিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বাদী ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ৩১ মার্চ রাত সাড়ে ১০টায় ঈদ উপলক্ষে বন্ধুদের সঙ্গে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিলেন মেহেদী হাসান। বটতলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে শিহাব (৩০), মো. সামছুল আলম (৫৫), সিরাজুল ইসলাম (২৬) ও আরও ১০-১২ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাদের পথরোধ করেন। এরপর কথিত রাজনৈতিক বিরোধের জেরে মেহেদী ও তার সঙ্গীদের শিবেরডাঙ্গী নয়াপাড়া সেতু এলাকায় পথরোধ করে তার কাছে থাকা স্মার্টফোন ও মোটরসাইকেলের চাবি ছিনিয়ে নেয়। এরপর তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মেহেদী হাসানকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে ঘটনাস্থল মেহেদীর সঙ্গীরা তাকে রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়। মেহেদীকে ভুট্টা খেতে নিয়ে গলায় চাপ দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তার মা শাহিদা বেগম। পরে মেহেদীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।

এরপর স্থানীয়রা মেহেদী হাসানকে উদ্ধার করে রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক চিকিৎসার পর তিনি কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন সেদিন রাতেই।

মেহেদীর মা শাহিদা বেগম জানান, “আমার ছেলে গুরুতর অসুস্থ ছিল, তাই থানায় অভিযোগ করতে একটু সময় লেগেছে।” তিনি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো ও হুমকি-ধমকির অভিযোগও করেন।

অভিযুক্তদের অন্যতম মো. শিহাব বলেন, “আমি আমার বক্তব্য থানায় দিয়েছি, বাকিটা তারা দেখবে।”

এ বিষয়ে রাজিবপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

জেলা শিক্ষা কর্মকর্তা ও তার ছেলের বিরুদ্ধে হত্যাচেষ্টার অভিযোগে থানায় লিখিত অভিযোগ  

আপডেট সময় : ০৫:৩৭:১২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৫ এপ্রিল ২০২৫

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের উপজেলা প্রতিনিধি মেহেদী হাসানকে মারধর ও তার কাছে চাঁদা দাবির অভিযোগ উঠেছে শিহাব (৩০), সামসুল আলম (৫৫) , সিরাজুল ইসলাম (২৬) এবং আরও ১০ থেকে ১২ জনের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ‘মা’ শাহিদা বেগম শুক্রবার (৪ এপ্রিল) রাত ৯টায় রাজিবপুর থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

বাদী ও অভিযোগ সূত্রে জানা গেছে, ৩১ মার্চ রাত সাড়ে ১০টায় ঈদ উপলক্ষে বন্ধুদের সঙ্গে মোটরসাইকেল নিয়ে ঘুরতে বের হয়েছিলেন মেহেদী হাসান। বটতলা বাজার এলাকায় পৌঁছালে শিহাব (৩০), মো. সামছুল আলম (৫৫), সিরাজুল ইসলাম (২৬) ও আরও ১০-১২ জন অজ্ঞাত ব্যক্তি তাদের পথরোধ করেন। এরপর কথিত রাজনৈতিক বিরোধের জেরে মেহেদী ও তার সঙ্গীদের শিবেরডাঙ্গী নয়াপাড়া সেতু এলাকায় পথরোধ করে তার কাছে থাকা স্মার্টফোন ও মোটরসাইকেলের চাবি ছিনিয়ে নেয়। এরপর তার কাছে ১০ লাখ টাকা চাঁদা দাবি করা হয়। চাঁদা দিতে অস্বীকৃতি জানালে মেহেদী হাসানকে শারীরিকভাবে নির্যাতন করা হয়। মারধরের একপর্যায়ে ঘটনাস্থল মেহেদীর সঙ্গীরা তাকে রেখে দৌড়ে পালিয়ে যায়। মেহেদীকে ভুট্টা খেতে নিয়ে গলায় চাপ দিয়ে হত্যার চেষ্টা করা হয় বলে অভিযোগ করেন তার মা শাহিদা বেগম। পরে মেহেদীর অবস্থা আশঙ্কাজনক দেখে অভিযুক্তরা পালিয়ে যায়।

এরপর স্থানীয়রা মেহেদী হাসানকে উদ্ধার করে রাজিবপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করান। হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে, প্রাথমিক চিকিৎসার পর তিনি কিছুটা সুস্থ হয়ে বাড়ি ফেরেন সেদিন রাতেই।

মেহেদীর মা শাহিদা বেগম জানান, “আমার ছেলে গুরুতর অসুস্থ ছিল, তাই থানায় অভিযোগ করতে একটু সময় লেগেছে।” তিনি হামলাকারীদের বিরুদ্ধে রাজনৈতিক প্রভাব খাটানো ও হুমকি-ধমকির অভিযোগও করেন।

অভিযুক্তদের অন্যতম মো. শিহাব বলেন, “আমি আমার বক্তব্য থানায় দিয়েছি, বাকিটা তারা দেখবে।”

এ বিষয়ে রাজিবপুর থানার অফিসার্স ইনচার্জ আমিনুল ইসলাম বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। বিষয়টি তদন্তাধীন রয়েছে। সত্যতা পেলে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”