বাংলাদেশ ০৬:৫৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

ছেলেমেয়েদের হাত থেকে কি স্মার্টফোন কেড়ে নেবেন?

  • আপডেট সময় : ১০:৫১:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২০
  • / 183

সোহান সরকার: টিকটক, লাইকি, আরো দুই একটা আছে, এগুলো থেকে না কেউ কোন উপকার পাচ্ছে, না পাচ্ছে সুস্থ বিনোদন। এগুলো বন্ধ করে দেওয়াই সমাধান বলে মনে করি।

এসব ঘিরে সস্তা জনপ্রিয়তার লোভে কিশোর, তরুণদের উন্মত্ত আচরণ দেখা যাচ্ছে। আর তাদের ভিডিওতে তাদের মতই কিছু ছেলেমেয়েরা লাইক দিয়ে দিলে মনে করছে তারা সেলিব্রিটি হয়ে গেছে।

লক্ষণীয় বিষয়, কিশোর, তরুণদের একটা দল সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের লাইক, রিএক্ট দিয়ে সবকিছু বিবেচনা করে। অথচ এক হাজার সস্তা লোকের সস্তা রিএক্টে কিছুই যায় বা আসে না।

অথচ তারা যে সময়টুকু ইন্টারনেটে এসব কাজে ব্যয় করছে তা এখানেই অন্য ভাল কাজে ব্যয় করতে পারতো।
আমি ছেলেমেয়েদের হাতে থেকে স্মার্টফোন কেড়ে নেওয়ার বিপক্ষে। চাঁদে যাওয়ার জন্য সে সময় যে কম্পিউটারটি ব্যবহার করা হয়েছিল সেটির চেয়ে বর্তমানে আমাদের হাতে থাকা স্মার্টফোনটি অনেক অনেক শক্তিশালী।

অনেক দেশে স্কুলের বাচ্চারা মজার মজার অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করছে, আমাদের দেশেরও অনেক বাচ্চারা এখন এটা করে। আমাদের স্কুল, কলেজের ছাত্ররা চাইলে নিজের স্মার্টফোনের সাহায্যে ওয়েবসাইট তৈরি, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি কিছুটা হলেও শেখা শুরু করতে পারে।
অভিভাবকদের এখানে করণীয় রয়েছে। অভিভাবক চাইলে বাচ্চার স্মার্টফোনে কি কি চালানো যাবে সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, এমনকি তার ফোন বারবার না নিয়েও এটা করা যায়, এন্ড্রয়েডে এ ব্যবস্থা আছে।

আর আমি মনে করি, স্কুলের বাচ্চারা স্মার্টফোন পেয়ে এর খারাপ ব্যবহার করলে এক্ষেত্রে অভিভাবকের খেয়াল না রাখাটাই আসলে বেশি দায়ি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

ছেলেমেয়েদের হাত থেকে কি স্মার্টফোন কেড়ে নেবেন?

আপডেট সময় : ১০:৫১:০৩ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ৮ অগাস্ট ২০২০

সোহান সরকার: টিকটক, লাইকি, আরো দুই একটা আছে, এগুলো থেকে না কেউ কোন উপকার পাচ্ছে, না পাচ্ছে সুস্থ বিনোদন। এগুলো বন্ধ করে দেওয়াই সমাধান বলে মনে করি।

এসব ঘিরে সস্তা জনপ্রিয়তার লোভে কিশোর, তরুণদের উন্মত্ত আচরণ দেখা যাচ্ছে। আর তাদের ভিডিওতে তাদের মতই কিছু ছেলেমেয়েরা লাইক দিয়ে দিলে মনে করছে তারা সেলিব্রিটি হয়ে গেছে।

লক্ষণীয় বিষয়, কিশোর, তরুণদের একটা দল সমাজিক যোগাযোগ মাধ্যমের লাইক, রিএক্ট দিয়ে সবকিছু বিবেচনা করে। অথচ এক হাজার সস্তা লোকের সস্তা রিএক্টে কিছুই যায় বা আসে না।

অথচ তারা যে সময়টুকু ইন্টারনেটে এসব কাজে ব্যয় করছে তা এখানেই অন্য ভাল কাজে ব্যয় করতে পারতো।
আমি ছেলেমেয়েদের হাতে থেকে স্মার্টফোন কেড়ে নেওয়ার বিপক্ষে। চাঁদে যাওয়ার জন্য সে সময় যে কম্পিউটারটি ব্যবহার করা হয়েছিল সেটির চেয়ে বর্তমানে আমাদের হাতে থাকা স্মার্টফোনটি অনেক অনেক শক্তিশালী।

অনেক দেশে স্কুলের বাচ্চারা মজার মজার অ্যাপ্লিকেশন তৈরি করছে, আমাদের দেশেরও অনেক বাচ্চারা এখন এটা করে। আমাদের স্কুল, কলেজের ছাত্ররা চাইলে নিজের স্মার্টফোনের সাহায্যে ওয়েবসাইট তৈরি, মোবাইল অ্যাপ্লিকেশন তৈরি কিছুটা হলেও শেখা শুরু করতে পারে।
অভিভাবকদের এখানে করণীয় রয়েছে। অভিভাবক চাইলে বাচ্চার স্মার্টফোনে কি কি চালানো যাবে সেটা নিয়ন্ত্রণ করতে পারে, এমনকি তার ফোন বারবার না নিয়েও এটা করা যায়, এন্ড্রয়েডে এ ব্যবস্থা আছে।

আর আমি মনে করি, স্কুলের বাচ্চারা স্মার্টফোন পেয়ে এর খারাপ ব্যবহার করলে এক্ষেত্রে অভিভাবকের খেয়াল না রাখাটাই আসলে বেশি দায়ি।