বাংলাদেশ ০৬:৪১ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ২৪ ভাদ্র ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাটু পানি ভোগান্তিতে এলাকাবাসীর সহ শিক্ষার্থীরা

  • আপডেট সময় : ১০:২৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩
  • / 115

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর উপজেলার পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ পাকা রাস্তায় সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটু সমান পানি জমে যাচ্ছে। কয়েক বছর থেকেই বর্ষা মৌসুমে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা যাচ্ছে। এতে
চলাচলের ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সহ কয়েক হাজার স্থানীয় বাসিন্দারা। পানিতে ডুবে থাকা সড়কের গর্তে পড়ে ঘটছে ছোট—বড় দুর্ঘটনা।

ড্রেন না করায় এই দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে বলে মন্তব্য করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের চিত্র প্রকট আকার ধারণ করলেও ড্রেন ব্যবস্থার উন্নয়নের বদলে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কেবল নির্মাণ ও ব্যয়মূলক প্রকল্পের দিকে। জলাবদ্ধতায় হাইস্কুল, প্রাইমারি, কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। এমন দুর্ভোগের বিষয়ে মনির হাসান নামের এক বাসিন্দা বলেন, বৃষ্টি হলেই এখানে হাঁটু পানি জমে থাকে ঘর থেকে বাহিরে যেতে পারি না। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্য প্রায় আমাকে বাজারে যেতে হয়, এখানে জলাবদ্ধতা থাকায় চরম বিপাকে পরে গেছি। রাস্তার পাশের ড্রেন করা খুবই জরুরি। সরেজমিন খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, সদর ওয়ার্ড এলাকার বেশির ভাগ রাস্তায় জলাবদ্ধতার চিত্র একই রকম। বৃষ্টির পর জলাবদ্ধতার কারণে অনেক সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পাশাপাশি থাকা একটি কলেজ, একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান সহ প্রাথমিক বিদ্যালয় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এ
ধরনের জলবদ্ধতার প্রভাবে বর্ষা মৌসুমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র—ছাত্রীদের উপস্থিতির সংখ্যা কম দেখা যায়।

জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তির স্বীকার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে এই ওয়ার্ডের অলিগলি ও প্রধান সড়ক। এছাড়া ঐ এলাকার খাল—পুকুর ভরাট হওয়ার কারণে আজ জলাবদ্ধতা স্থায়ী হচ্ছে। এলাকার ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন । জলাবদ্ধতার কারণে আশপাশের দোকান গুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা যায় । তাদের যাতায়াতে ভীষণ কষ্ট হয় । এ দিকের রাস্তায় গাড়ি চলাচল করতে চায়না । তাই রোগীসহ সাধারন মানুষের কষ্ট করে চলাচল করতে হয় । অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে । জলাবদ্ধতার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজিবপুর সদর ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাটু পানি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র— ছাত্রীদের চলাচল খুবই কষ্টদায়ক হয়ে পড়ছে। আমরা স্থানীয়ভাবে বিষয়টা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

জলাবদ্ধতা নিরসন ও জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের কোনো উদ্যোগ আছে কি না জানতে চাইলে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিরন মোঃ ইলিয়াস বলেন, ওই এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আশা করছি দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাটু পানি ভোগান্তিতে এলাকাবাসীর সহ শিক্ষার্থীরা

আপডেট সময় : ১০:২৮:১৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২৬ মে ২০২৩

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর উপজেলার পাশাপাশি কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের যোগাযোগের গুরুত্বপূর্ণ পাকা রাস্তায় সামান্য বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাঁটু সমান পানি জমে যাচ্ছে। কয়েক বছর থেকেই বর্ষা মৌসুমে দীর্ঘস্থায়ী জলাবদ্ধতা দেখা যাচ্ছে। এতে
চলাচলের ক্ষেত্রে চরম ভোগান্তির শিকার কয়েকটি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীরা সহ কয়েক হাজার স্থানীয় বাসিন্দারা। পানিতে ডুবে থাকা সড়কের গর্তে পড়ে ঘটছে ছোট—বড় দুর্ঘটনা।

ড্রেন না করায় এই দুর্ভোগের সৃষ্টি হচ্ছে বলে মন্তব্য করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। অন্যদিকে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগের চিত্র প্রকট আকার ধারণ করলেও ড্রেন ব্যবস্থার উন্নয়নের বদলে কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি কেবল নির্মাণ ও ব্যয়মূলক প্রকল্পের দিকে। জলাবদ্ধতায় হাইস্কুল, প্রাইমারি, কলেজ পড়ুয়া ছাত্র ছাত্রীদের দুর্ভোগ সবচেয়ে বেশি। এমন দুর্ভোগের বিষয়ে মনির হাসান নামের এক বাসিন্দা বলেন, বৃষ্টি হলেই এখানে হাঁটু পানি জমে থাকে ঘর থেকে বাহিরে যেতে পারি না। নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসপত্রের জন্য প্রায় আমাকে বাজারে যেতে হয়, এখানে জলাবদ্ধতা থাকায় চরম বিপাকে পরে গেছি। রাস্তার পাশের ড্রেন করা খুবই জরুরি। সরেজমিন খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, সদর ওয়ার্ড এলাকার বেশির ভাগ রাস্তায় জলাবদ্ধতার চিত্র একই রকম। বৃষ্টির পর জলাবদ্ধতার কারণে অনেক সড়ক চলাচলের অনুপযোগী হয়ে পড়েছে। বিশেষ করে পাশাপাশি থাকা একটি কলেজ, একটি উচ্চ মাধ্যমিক বিদ্যালয়, ভোকেশনাল প্রতিষ্ঠান সহ প্রাথমিক বিদ্যালয় কোমলমতি শিক্ষার্থীরা দুর্ভোগের শিকার হচ্ছে। এ
ধরনের জলবদ্ধতার প্রভাবে বর্ষা মৌসুমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের ছাত্র—ছাত্রীদের উপস্থিতির সংখ্যা কম দেখা যায়।

জলাবদ্ধতায় চরম ভোগান্তির স্বীকার ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দারা। সামান্য বৃষ্টিতেই তলিয়ে যাচ্ছে এই ওয়ার্ডের অলিগলি ও প্রধান সড়ক। এছাড়া ঐ এলাকার খাল—পুকুর ভরাট হওয়ার কারণে আজ জলাবদ্ধতা স্থায়ী হচ্ছে। এলাকার ব্যবসায়ীরা ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছেন । জলাবদ্ধতার কারণে আশপাশের দোকান গুলোতে ক্রেতাদের উপস্থিতি কম লক্ষ্য করা যায় । তাদের যাতায়াতে ভীষণ কষ্ট হয় । এ দিকের রাস্তায় গাড়ি চলাচল করতে চায়না । তাই রোগীসহ সাধারন মানুষের কষ্ট করে চলাচল করতে হয় । অনেক সময় দুর্ঘটনা ঘটে । জলাবদ্ধতার বিষয়ে জানতে চাইলে রাজিবপুর সদর ওয়ার্ডের মেম্বার মোঃ আনোয়ার হোসেন বলেন, একটু বৃষ্টি হলেই রাস্তায় হাটু পানি স্কুল, কলেজ, মাদ্রাসার ছাত্র— ছাত্রীদের চলাচল খুবই কষ্টদায়ক হয়ে পড়ছে। আমরা স্থানীয়ভাবে বিষয়টা সমাধানের সর্বোচ্চ চেষ্টা করছি।

জলাবদ্ধতা নিরসন ও জনগণের দুর্ভোগ লাঘবে রাজিবপুর সদর ইউনিয়নের কোনো উদ্যোগ আছে কি না জানতে চাইলে সদর ইউনিয়নের চেয়ারম্যান মিরন মোঃ ইলিয়াস বলেন, ওই এলাকায় সামান্য বৃষ্টিতে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়। আশা করছি দ্রুত সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া সম্ভব হবে।