বাংলাদেশ ০৩:৫৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৬ এপ্রিল ২০২৬, ১৩ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

হিমশিম করে চলেছে হতদরিদ্র জবেদ আলী’র সংসার

  • আপডেট সময় : ১০:০০:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩
  • / 111

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর উপজেলায় শংকর মাধবপুর গ্রাম, গ্রামটি ব্রহ্মপুত্র নদের কারণে রাজিবপুর উপজেলা থেকে বিছিন্ন। এই এলাকর মানুষগুলো একটু বেশি অসহায় ও হতদরিদ্র। তেমনি একটি হতদরিদ্র পরিবারের অভিভাবক জবেদ আলী।

কোদালকাটি ইউনিয়নের শংকর মাধবপুর গ্রামের মোঃ জবেদ আলী পেশায় দিনমজুর, পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৬ জন। ছোট্ট একটি ঘরে তাদের বসবাস পাটখরের বেড়া ও চালা দেখলে আপনার মনে হতে পারে দারিদ্রতা যেন তার প্রতিদিনের সঙ্গী।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, তাদের একসময় ফসলি জমি ছিলো, যা দিয়ে দুবেলা দুমুঠো ঠিকমতো খেতে পারতো, কিন্তু সর্বগ্রাসী ব্রহ্মপুত্র নদী সব যেনো গিলে খেয়েছে, বর্তমান যে জমিতে তাদের বসবাস সেটিও অন্যের দেওয়া আশ্রয়স্থল।

চারজন ছেলেদের মধ্যে মেয়েটি বড়। মেয়েটি বর্তমান রাজিবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়াশোনা করছে, কিন্তু তার পড়ালেখার খরচ যোগাতে অসহায় বাবার যেনো হিমশিম খেতে হচ্ছে। হয়তো কিছুদিন শোনা যাবে পড়ালেখার খরচ যোগাতে না পেরে দরিদ্র পরিবারটি মেয়েটিকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে। এভাবেই শেষ হয়ে যাবে আরেকটি মেয়ের স্বপ্ন।

এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, পরিবারটি খুবই অসহায় সরকার থেকে যা প্রণোদনা পায় তা দিয়ে ৬ জনের সংসার ঠিকমত চলে না। কখনও কখনও না খেয়ে থাকতে হয়, তাই সরকারের পাশাপাশি সুশীল সমাজ যদি পাশে দাড়ায় তাহলে তারা দুবেলা দুমুঠো ঠিকমত খেতে পারবে।

রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্ত্তী বলেন, কোদালকাটি ইউনিয়নের শংকর মাধবপুর গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর জবেদ আলীর দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের অসহায়ত্বের ব্যাপারে আপনার মাধ্যমে প্রশাসন অবগত হয়েছে। এ ব্যাপারে যতো দ্রুত সম্ভব, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারটির ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য
ট্যাগস :

হিমশিম করে চলেছে হতদরিদ্র জবেদ আলী’র সংসার

আপডেট সময় : ১০:০০:৪৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩

রাজিবপুর (কুড়িগ্রাম) প্রতিনিধি: কুড়িগ্রাম জেলার রাজিবপুর উপজেলায় শংকর মাধবপুর গ্রাম, গ্রামটি ব্রহ্মপুত্র নদের কারণে রাজিবপুর উপজেলা থেকে বিছিন্ন। এই এলাকর মানুষগুলো একটু বেশি অসহায় ও হতদরিদ্র। তেমনি একটি হতদরিদ্র পরিবারের অভিভাবক জবেদ আলী।

কোদালকাটি ইউনিয়নের শংকর মাধবপুর গ্রামের মোঃ জবেদ আলী পেশায় দিনমজুর, পরিবারের সদস্য সংখ্যা ৬ জন। ছোট্ট একটি ঘরে তাদের বসবাস পাটখরের বেড়া ও চালা দেখলে আপনার মনে হতে পারে দারিদ্রতা যেন তার প্রতিদিনের সঙ্গী।

সরেজমিনে গিয়ে জানা যায়, তাদের একসময় ফসলি জমি ছিলো, যা দিয়ে দুবেলা দুমুঠো ঠিকমতো খেতে পারতো, কিন্তু সর্বগ্রাসী ব্রহ্মপুত্র নদী সব যেনো গিলে খেয়েছে, বর্তমান যে জমিতে তাদের বসবাস সেটিও অন্যের দেওয়া আশ্রয়স্থল।

চারজন ছেলেদের মধ্যে মেয়েটি বড়। মেয়েটি বর্তমান রাজিবপুর বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ে ষষ্ঠ শ্রেণীতে পড়াশোনা করছে, কিন্তু তার পড়ালেখার খরচ যোগাতে অসহায় বাবার যেনো হিমশিম খেতে হচ্ছে। হয়তো কিছুদিন শোনা যাবে পড়ালেখার খরচ যোগাতে না পেরে দরিদ্র পরিবারটি মেয়েটিকে বিয়ে দিয়ে দিয়েছে। এভাবেই শেষ হয়ে যাবে আরেকটি মেয়ের স্বপ্ন।

এলাকাবাসীর কাছে জানতে চাইলে তারা বলেন, পরিবারটি খুবই অসহায় সরকার থেকে যা প্রণোদনা পায় তা দিয়ে ৬ জনের সংসার ঠিকমত চলে না। কখনও কখনও না খেয়ে থাকতে হয়, তাই সরকারের পাশাপাশি সুশীল সমাজ যদি পাশে দাড়ায় তাহলে তারা দুবেলা দুমুঠো ঠিকমত খেতে পারবে।

রাজিবপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা অমিত চক্রবর্ত্তী বলেন, কোদালকাটি ইউনিয়নের শংকর মাধবপুর গ্রামের বাসিন্দা দিনমজুর জবেদ আলীর দুর্দশাগ্রস্ত পরিবারের অসহায়ত্বের ব্যাপারে আপনার মাধ্যমে প্রশাসন অবগত হয়েছে। এ ব্যাপারে যতো দ্রুত সম্ভব, উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে পরিবারটির ব্যাপারে খোঁজ-খবর নিয়ে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।