বাংলাদেশ ১১:২৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬, ২ শ্রাবণ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

চরমপন্থা ও মৌলবাদের অভয়ারণ্য যেন বাংলাদেশ না হয়: তারেক রহমান

  • আপডেট সময় : ০১:২২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 45

বাংলাদেশ যেন কোনো দিন চরমপন্থা ও মৌলবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত না হয়—এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সকলকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “গণতন্ত্র, মৌলিক অধিকার ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই।”

রোববার (১৭ আগস্ট) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় কবিতা পরিষদের আয়োজিত “গণতন্ত্র উত্তরণে কবি-সাহিত্যকদের ভূমিকা ও করণীয়” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ কিছুদিন আগেই স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করেছে। সেই স্বৈরাচারের পুনর্জাগরণ প্রতিহত করতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। রাজনৈতিক আদর্শে ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও ভোটাধিকারের প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “দেশের মালিকানার একমাত্র দাবিদার জনগণ। মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করেই জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।”

কবি-সাহিত্যিকদের ভূমিকায় আলোকপাত করে তারেক রহমান বলেন, “ইতিহাসে দেখা গেছে কবিতা, সাহিত্য ও সংগীত রাজনৈতিক নেতৃত্বকে উদ্বুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন কবিতা ও দেশাত্মবোধক গান একাকার হয়েছিল স্বাধীনতার লড়াইয়ের সঙ্গে। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে দেশগঠনে কবিতা-সাহিত্যও ভূমিকা রেখেছে।”

তিনি শেক্সপিয়ার, কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ বহু সাহিত্যিকের নাম উল্লেখ করে বলেন, “তাদের সাহিত্য ও সৃষ্টিশীলতা জাতির পরিচয় ও চেতনায় গভীরভাবে প্রোথিত। ঠিক তেমনিভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ গানটি বিএনপির দলীয় সংগীতে পরিণত হয়। এই বিশ্বাস আজও প্রতিটি জাতীয়তাবাদী মানুষের প্রাণে ধ্বনিত হয়।”

তারেক রহমান আরও বলেন, “একজন প্রকৃত জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী বাংলাদেশির জীবনের প্রথম ও শেষ পরিচয় হওয়া উচিত—আমি একজন বাংলাদেশি। এটাই হবে তার বিশ্বাস, আদর্শ ও গর্ব।”

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

চরমপন্থা ও মৌলবাদের অভয়ারণ্য যেন বাংলাদেশ না হয়: তারেক রহমান

আপডেট সময় : ০১:২২:৩১ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৮ অগাস্ট ২০২৫

বাংলাদেশ যেন কোনো দিন চরমপন্থা ও মৌলবাদের অভয়ারণ্যে পরিণত না হয়—এ প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান। তিনি সকলকে সোচ্চার থাকার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “গণতন্ত্র, মৌলিক অধিকার ও জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠার জন্য সুষ্ঠু নির্বাচনের বিকল্প নেই।”

রোববার (১৭ আগস্ট) বিকালে জাতীয় প্রেস ক্লাবে জাতীয় কবিতা পরিষদের আয়োজিত “গণতন্ত্র উত্তরণে কবি-সাহিত্যকদের ভূমিকা ও করণীয়” শীর্ষক মতবিনিময় সভায় ভার্চুয়ালি যুক্ত হয়ে তিনি এ মন্তব্য করেন।

তারেক রহমান বলেন, “বাংলাদেশের মানুষ কিছুদিন আগেই স্বৈরাচারকে বিতাড়িত করেছে। সেই স্বৈরাচারের পুনর্জাগরণ প্রতিহত করতে আমরা প্রতিজ্ঞাবদ্ধ। রাজনৈতিক আদর্শে ভিন্নতা থাকতে পারে, তবে গণতন্ত্র প্রতিষ্ঠা ও ভোটাধিকারের প্রশ্নে সবাইকে ঐক্যবদ্ধ হতে হবে।”

তিনি আরও বলেন, “দেশের মালিকানার একমাত্র দাবিদার জনগণ। মানুষের ভোটাধিকার রক্ষা করেই জবাবদিহিমূলক রাষ্ট্র গড়ে তোলা সম্ভব।”

কবি-সাহিত্যিকদের ভূমিকায় আলোকপাত করে তারেক রহমান বলেন, “ইতিহাসে দেখা গেছে কবিতা, সাহিত্য ও সংগীত রাজনৈতিক নেতৃত্বকে উদ্বুদ্ধ করেছে। মুক্তিযুদ্ধের সময় যেমন কবিতা ও দেশাত্মবোধক গান একাকার হয়েছিল স্বাধীনতার লড়াইয়ের সঙ্গে। যুদ্ধ-পরবর্তী সময়ে দেশগঠনে কবিতা-সাহিত্যও ভূমিকা রেখেছে।”

তিনি শেক্সপিয়ার, কাজী নজরুল ইসলাম ও রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরসহ বহু সাহিত্যিকের নাম উল্লেখ করে বলেন, “তাদের সাহিত্য ও সৃষ্টিশীলতা জাতির পরিচয় ও চেতনায় গভীরভাবে প্রোথিত। ঠিক তেমনিভাবে শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের সময় ‘প্রথম বাংলাদেশ আমার শেষ বাংলাদেশ’ গানটি বিএনপির দলীয় সংগীতে পরিণত হয়। এই বিশ্বাস আজও প্রতিটি জাতীয়তাবাদী মানুষের প্রাণে ধ্বনিত হয়।”

তারেক রহমান আরও বলেন, “একজন প্রকৃত জাতীয়তাবাদে বিশ্বাসী বাংলাদেশির জীবনের প্রথম ও শেষ পরিচয় হওয়া উচিত—আমি একজন বাংলাদেশি। এটাই হবে তার বিশ্বাস, আদর্শ ও গর্ব।”