বাংলাদেশ ০৫:৫৬ পূর্বাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৩০ এপ্রিল ২০২৬, ১৬ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

কলকাতায় গোপনে চালু ‘আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস’

  • আপডেট সময় : ০৯:১৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫
  • / 34

গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী দেশত্যাগ করে পার্শ্ববর্তী ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের একটি বড় অংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় অবস্থান করছেন। এবার জানা গেল, সেখানেই একটি গোপন ‘আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস’ খোলা হয়েছে এবং সেখানে নিয়মিত দলীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিষয়টি সম্প্রতি বিবিসি বাংলার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কলকাতার একটি বাণিজ্যিক এলাকার বহুতল কমপ্লেক্সে রয়েছে এ অফিস। অফিস কক্ষটি বাইরে থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই এটি কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয়। নেই কোনো সাইনবোর্ড, নেতাদের ছবি বা দলীয় পরিচিতির কোনো চিহ্ন। ভেতরে পুরনো চেয়ার-টেবিলেই সীমিত আকারে দলীয় বৈঠক হয়। এক নেতা জানিয়েছেন, সচেতনভাবেই বঙ্গবন্ধু বা শেখ হাসিনার ছবি না রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে পরিচয় গোপন থাকে।

তিনি আরও জানান, ৩০-৩৫ জনের ছোট বৈঠক এই অফিসেই হয়, তবে বড় মিটিংয়ের জন্য ভাড়া নেওয়া হয় ব্যাংকয়েট হল বা রেস্টুরেন্টের একটি অংশ। এ ছাড়াও বিভিন্ন নেতার বাসায়ও ছোটখাটো আলোচনা হয়।

বিবিসি জানিয়েছে, বর্তমানে প্রায় ২০০ জনের মতো আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য কলকাতা ও আশপাশে বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছেন। অনেকে সপরিবারে আছেন, আবার কেউ কেউ দলবেঁধে একসঙ্গে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন। কারও কারও পরিবার মাঝে মাঝে বাংলাদেশ থেকেও কলকাতায় এসে কিছুদিন কাটান।

নেতাদের কেউ কেউ কলকাতা থেকে আবার আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া বা অন্যান্য দেশে পাড়ি দিয়েছেন। রাজনৈতিক নিরাপত্তা এবং সংগঠনের ধারা টিকিয়ে রাখতেই এই ‘অঘোষিত’ পার্টি অফিস খোলা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে কলকাতার ঠিক কোন এলাকায় এই অফিসটি অবস্থিত, তা প্রকাশ করেনি বিবিসি।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

কলকাতায় গোপনে চালু ‘আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস’

আপডেট সময় : ০৯:১৭:৪৪ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ৮ অগাস্ট ২০২৫

গত বছরের ৫ আগস্ট শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর আওয়ামী লীগের বহু নেতাকর্মী দেশত্যাগ করে পার্শ্ববর্তী ভারতে আশ্রয় নিয়েছেন। তাদের একটি বড় অংশ বর্তমানে পশ্চিমবঙ্গের রাজধানী কলকাতায় অবস্থান করছেন। এবার জানা গেল, সেখানেই একটি গোপন ‘আওয়ামী লীগের পার্টি অফিস’ খোলা হয়েছে এবং সেখানে নিয়মিত দলীয় কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। বিষয়টি সম্প্রতি বিবিসি বাংলার একটি অনুসন্ধানী প্রতিবেদনে উঠে এসেছে।

প্রতিবেদন অনুযায়ী, কলকাতার একটি বাণিজ্যিক এলাকার বহুতল কমপ্লেক্সে রয়েছে এ অফিস। অফিস কক্ষটি বাইরে থেকে দেখলে বোঝার উপায় নেই এটি কোনো রাজনৈতিক দলের কার্যালয়। নেই কোনো সাইনবোর্ড, নেতাদের ছবি বা দলীয় পরিচিতির কোনো চিহ্ন। ভেতরে পুরনো চেয়ার-টেবিলেই সীমিত আকারে দলীয় বৈঠক হয়। এক নেতা জানিয়েছেন, সচেতনভাবেই বঙ্গবন্ধু বা শেখ হাসিনার ছবি না রাখার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে যাতে পরিচয় গোপন থাকে।

তিনি আরও জানান, ৩০-৩৫ জনের ছোট বৈঠক এই অফিসেই হয়, তবে বড় মিটিংয়ের জন্য ভাড়া নেওয়া হয় ব্যাংকয়েট হল বা রেস্টুরেন্টের একটি অংশ। এ ছাড়াও বিভিন্ন নেতার বাসায়ও ছোটখাটো আলোচনা হয়।

বিবিসি জানিয়েছে, বর্তমানে প্রায় ২০০ জনের মতো আওয়ামী লীগ নেতা ও সাবেক সংসদ সদস্য কলকাতা ও আশপাশে বাসা ভাড়া নিয়ে অবস্থান করছেন। অনেকে সপরিবারে আছেন, আবার কেউ কেউ দলবেঁধে একসঙ্গে ফ্ল্যাট ভাড়া নিয়েছেন। কারও কারও পরিবার মাঝে মাঝে বাংলাদেশ থেকেও কলকাতায় এসে কিছুদিন কাটান।

নেতাদের কেউ কেউ কলকাতা থেকে আবার আমেরিকা, কানাডা, অস্ট্রেলিয়া বা অন্যান্য দেশে পাড়ি দিয়েছেন। রাজনৈতিক নিরাপত্তা এবং সংগঠনের ধারা টিকিয়ে রাখতেই এই ‘অঘোষিত’ পার্টি অফিস খোলা হয়েছে বলে জানা গেছে। তবে কলকাতার ঠিক কোন এলাকায় এই অফিসটি অবস্থিত, তা প্রকাশ করেনি বিবিসি।