শহীদ পিতার বেদনায় অঝোরে কাঁদলেন হাসনাত আবদুল্লাহ
- আপডেট সময় : ০২:০৮:৩২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৮ জুলাই ২০২৫
- / 43
অনলাইন ডেস্ক:
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আবদুল্লাহর কান্নায় কেঁদেছে পুরো সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম। নাটোরের শহীদ পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলার সময় তাঁর কান্নার ছবি ও ভিডিও ভাইরাল হয়ে দেশের হাজারও মানুষকে আবেগাপ্লুত করেছে।
সোমবার (৮ জুলাই) এনসিপির ‘জুলাই পদযাত্রার’ সপ্তম দিনে নাটোর শহরের মাদ্রাসা মোড়ের স্বাধীনতা চত্বরে আয়োজিত পথসভা শেষে বিকেলে একটি রেস্টুরেন্টে জুলাই আন্দোলনে শহীদ হওয়া আটজনের পরিবার এবং আহতদের সঙ্গে মতবিনিময় করেন দলের কেন্দ্রীয় নেতারা। সেই সময়ই শহীদ পরিবারের সন্তানের শোকগাঁথা শুনে হাসনাত আবদুল্লাহ কান্নায় ভেঙে পড়েন।
ভাইরাল হওয়া ভিডিওতে দেখা যায়, ৫ আগস্ট শহীদ হওয়া কলেজছাত্র মিকদাদ হোসেন খান আকিবের পিতা, নাটোর সিটি কলেজের অধ্যক্ষ দেলোয়ার হোসেন খানের সঙ্গে কথা বলার সময় কান্না থামাতে পারেননি তিনি। একপর্যায়ে তাঁকে জড়িয়ে ধরে অঝোরে কাঁদেন। এই হৃদয়বিদারক দৃশ্য সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপকভাবে ছড়িয়ে পড়ে। অনেকে শেয়ার করে লিখেছেন, “এই কান্না রাজনীতি নয়, এই কান্না মাটি ও মানুষের আত্মার বন্ধন।”
সেসময় সেখানে উপস্থিত ছিলেন এনসিপির আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম, মুখ্য সমন্বয়ক নাসিরউদ্দীন পাটোয়ারী, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম আহ্বায়ক সামান্তা শারমিন, জ্যেষ্ঠ যুগ্ম সদস্য সচিব ডা. তাসনিম জারা ও নাহিদা শারওয়ার নিভা, উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলম, কেন্দ্রীয় সদস্য আসিফ মোস্তফা জামাল, নাটোর জেলা এনসিপির প্রধান সমন্বয়কারী অধ্যক্ষ জার্জিস কাদির এবং সিনিয়র যুগ্ম সমন্বয়কারী ও নাটোর চেম্বার সভাপতি আব্দুল মান্নাফ।
সামাজিক মাধ্যমে সাধারণ মানুষ এই আবেগঘন মুহূর্তে সহানুভূতি প্রকাশ করেছেন। কেউ লিখেছেন, “যে পুরুষ অন্যের সন্তান হারানোর বেদনায় কাঁদে, সে কখনো খারাপ হতে পারে না।” কেউ বলেছেন, “এটাই রাজনৈতিক মানবতা—জনগণের পাশে দাঁড়ানো, তাদের কষ্টকে নিজের বলে অনুভব করা।”
এই কান্না রাজনীতির মঞ্চে এক অন্যরকম বার্তা পৌঁছে দিয়েছে—শহীদদের স্মরণ শুধু আনুষ্ঠানিকতা নয়, বরং মানবিক সংবেদনশীলতা থেকেই তা উঠে আসা প্রয়োজন।












