বাংলাদেশ ০৩:৩২ অপরাহ্ন, সোমবার, ২৭ এপ্রিল ২০২৬, ১৪ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

ইসলামপন্থীদের ঐক্য গড়লে রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে আসবে: চরমোনাই পীর

  • আপডেট সময় : ০৩:১৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫
  • / 47

অনলাইন ডেস্ক:

ইসলামপন্থী দলগুলোর ঐক্যের ব্যাপারে গণ-আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাইর পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, জোটবদ্ধ ইসলামি দল আগামী দিনে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত মহাসমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, “আমরা ৫৪ বছরে অনেক দলকে দেশ শাসন করতে দেখেছি, কিন্তু ইসলামি দল কখনো ক্ষমতায় আসতে পারেনি। কারণ, আমরা বারবার নেতা ও নীতির ক্ষেত্রে ভুল করেছি। তবে এবার ইসলামপন্থীদের ঐক্যের প্রশ্নে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমি শুরু থেকেই ইসলামপন্থী ভোট একত্রিত করার কথা বলে আসছি। এখন শুধু ইসলামি দল নয়, বরং দেশপ্রেমিক আরও অনেক দলও একবাক্স নীতিতে ঐক্যবদ্ধ হতে পারে। যদি কার্যকর ঐক্য গড়ে তুলতে পারি এবং একত্রে নির্বাচন করি, তাহলে ইসলামপন্থীরাই হবে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি এবং রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব আমাদের হাতেই আসবে ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী নির্বাচনে পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে ভোট দিতে হবে। যে দল যত শতাংশ ভোট পাবে, সংসদে তত শতাংশ আসন পাবে। এটা এখন জনগণের ও অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের যৌক্তিক দাবি।” একই সঙ্গে তিনি বিএনপিকেও পিআর পদ্ধতির নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

সংস্কার প্রসঙ্গে চরমোনাই পীর বলেন, “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সংস্কারের প্রশ্নে দৃঢ় ও অবিচল। এতে কোনো ধরনের কালক্ষেপণ ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল হবে।” তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধানকেও জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি বধির ছিল বলে মন্তব্য করেন।

এই মহাসমাবেশে দলটির অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতারাও অংশ নেন এবং রাষ্ট্র সংস্কার ও রাজনৈতিক ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ইসলামপন্থীদের ঐক্য গড়লে রাষ্ট্রক্ষমতা হাতে আসবে: চরমোনাই পীর

আপডেট সময় : ০৩:১৬:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৮ জুন ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:

ইসলামপন্থী দলগুলোর ঐক্যের ব্যাপারে গণ-আকাঙ্ক্ষা সৃষ্টি হয়েছে উল্লেখ করে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশের আমির ও চরমোনাইর পীর মুফতি সৈয়দ মুহাম্মদ রেজাউল করীম বলেছেন, জোটবদ্ধ ইসলামি দল আগামী দিনে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তিতে পরিণত হবে।

শনিবার বিকেলে রাজধানীর ঐতিহাসিক সোহরাওয়ার্দী উদ্যানে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ আয়োজিত মহাসমাবেশে সভাপতির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

চরমোনাই পীর বলেন, “আমরা ৫৪ বছরে অনেক দলকে দেশ শাসন করতে দেখেছি, কিন্তু ইসলামি দল কখনো ক্ষমতায় আসতে পারেনি। কারণ, আমরা বারবার নেতা ও নীতির ক্ষেত্রে ভুল করেছি। তবে এবার ইসলামপন্থীদের ঐক্যের প্রশ্নে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক প্রত্যাশা তৈরি হয়েছে।”

তিনি বলেন, “আমি শুরু থেকেই ইসলামপন্থী ভোট একত্রিত করার কথা বলে আসছি। এখন শুধু ইসলামি দল নয়, বরং দেশপ্রেমিক আরও অনেক দলও একবাক্স নীতিতে ঐক্যবদ্ধ হতে পারে। যদি কার্যকর ঐক্য গড়ে তুলতে পারি এবং একত্রে নির্বাচন করি, তাহলে ইসলামপন্থীরাই হবে দেশের প্রধান রাজনৈতিক শক্তি এবং রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব আমাদের হাতেই আসবে ইনশাআল্লাহ।”

তিনি আরও বলেন, “আগামী নির্বাচনে পিআর (প্রপোরশনাল রিপ্রেজেন্টেশন) পদ্ধতিতে ভোট দিতে হবে। যে দল যত শতাংশ ভোট পাবে, সংসদে তত শতাংশ আসন পাবে। এটা এখন জনগণের ও অধিকাংশ রাজনৈতিক দলের যৌক্তিক দাবি।” একই সঙ্গে তিনি বিএনপিকেও পিআর পদ্ধতির নির্বাচনে অংশগ্রহণের আহ্বান জানান।

সংস্কার প্রসঙ্গে চরমোনাই পীর বলেন, “ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ সংস্কারের প্রশ্নে দৃঢ় ও অবিচল। এতে কোনো ধরনের কালক্ষেপণ ২০২৪ সালের গণ-অভ্যুত্থানের সঙ্গে বিশ্বাসঘাতকতার শামিল হবে।” তিনি ১৯৭২ সালের সংবিধানকেও জনআকাঙ্ক্ষার প্রতি বধির ছিল বলে মন্তব্য করেন।

এই মহাসমাবেশে দলটির অন্যান্য শীর্ষস্থানীয় নেতারাও অংশ নেন এবং রাষ্ট্র সংস্কার ও রাজনৈতিক ঐক্যের গুরুত্ব তুলে ধরেন।