বাংলাদেশ ১১:০২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

আলোচনায় কুড়িগ্রাম-৪ আসনে রাজিবপুর বিএনপির চারজন মনোনয়নপ্রত্যাশী

  • আপডেট সময় : ০৭:২০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫
  • / 73

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুড়িগ্রাম-৪ (রাজিবপুর-রৌমারী-চিলমারী) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিয়ে রাজিবপুরে জমে উঠেছে আলোচনা। বিশেষ করে উপজেলা বিএনপির চারজন শীর্ষ নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।

এই চারজন হলেন— রাজিবপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক মিরন মো. ইলিয়াস, অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা এবং আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মাহবুবুর রশিদ মন্ডল। স্থানীয় রাজনীতিতে চারজনই সুপরিচিত এবং দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

দলীয় সূত্র বলছে, এ নেতারা তৃণমূলে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি সাংগঠনিক দক্ষতায়ও শক্ত অবস্থানে আছেন। রাজিবপুর থেকে এখনো পর্যন্ত কেউ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেননি। ফলে দীর্ঘদিনের সেই আক্ষেপ ঘোচাতে এবার ভোটাররা আশাবাদী।

গণসংযোগে আহ্বায়ক অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান বলেন, “রাজিবপুর এখনো উন্নয়ন বঞ্চিত। আমি মনোনয়ন পেলে নদীভাঙন রোধ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য-শিক্ষা খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।”

বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান মিরন মো. ইলিয়াস বলেন, “নেতৃত্ব মাঠ থেকে আসে, চেম্বার থেকে নয়। আমি সবসময় মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব। আমার নেতৃত্বে দৃশ্যমান উন্নয়ন হবে ইনশাআল্লাহ।”

অধ্যক্ষ মাহবুবুর রশিদ মন্ডল বলেন, “রাজনীতিতে কখনো আপোষ করিনি। নদীভাঙন প্রতিরোধ, চরাঞ্চলে শিক্ষা বিস্তার ও কৃষি উন্নয়নই আমার অগ্রাধিকার।”

অন্যদিকে অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা বলেন, “ছাত্রজীবন থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শ লালন করেছি। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মানোন্নয়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চাই।”

এদিকে সাধারণ মানুষও এই চারজনকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন। কৃষক আজিজুল ইসলাম বলেন, “রাজিবপুর থেকে আমরা কখনো সংসদ সদস্য পাইনি। এবার চাই এমন একজন নেতা, যিনি কাজ করবেন।”

শিক্ষার্থী লিপি আক্তার বলেন, “গোলাম স্যারের চিন্তাভাবনায় আমাদের প্রয়োজনের প্রতিফলন পাই।”

এক স্থানীয় ব্যবসায়ী মত দেন, “ইলিয়াস চেয়ারম্যান কাজের মানুষ, তার হাতেই উন্নয়ন সম্ভব।”

এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলেন, “মাহবুব স্যার সাহসী ও প্রতিবাদী, এমন মানুষেরই দরকার আমাদের রাজনীতিতে।”

রাজিবপুরের রাজনৈতিক সচেতন মহলের মতে, “ছোট একটি উপজেলা হয়েও একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীর সক্রিয়তা প্রমাণ করে—এখানে নেতৃত্বের অভাব নেই। এখন প্রয়োজন যথাযথ মূল্যায়ন ও মনোনয়নে সুবিচার।”

রাজিবপুরবাসীর প্রত্যাশা—এবার অন্তত একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল থেকে রাজিবপুরের একজন যোগ্য নেতাকে মনোনয়ন দিয়ে এ অঞ্চলের উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন করা হোক।

নিউজটি শেয়ার করুন

One thought on “আলোচনায় কুড়িগ্রাম-৪ আসনে রাজিবপুর বিএনপির চারজন মনোনয়নপ্রত্যাশী

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

আলোচনায় কুড়িগ্রাম-৪ আসনে রাজিবপুর বিএনপির চারজন মনোনয়নপ্রত্যাশী

আপডেট সময় : ০৭:২০:২১ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ২৩ জুন ২০২৫

আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে কুড়িগ্রাম-৪ (রাজিবপুর-রৌমারী-চিলমারী) আসনে বিএনপির দলীয় মনোনয়ন নিয়ে রাজিবপুরে জমে উঠেছে আলোচনা। বিশেষ করে উপজেলা বিএনপির চারজন শীর্ষ নেতা মনোনয়নপ্রত্যাশী হিসেবে স্থানীয় রাজনীতিতে আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে রয়েছেন।

এই চারজন হলেন— রাজিবপুর উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান, যুগ্ম আহ্বায়ক মিরন মো. ইলিয়াস, অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা এবং আহ্বায়ক কমিটির সদস্য অধ্যক্ষ মাহবুবুর রশিদ মন্ডল। স্থানীয় রাজনীতিতে চারজনই সুপরিচিত এবং দীর্ঘদিন ধরে বিএনপির বিভিন্ন স্তরে দায়িত্ব পালন করে আসছেন।

দলীয় সূত্র বলছে, এ নেতারা তৃণমূলে জনপ্রিয়তার পাশাপাশি সাংগঠনিক দক্ষতায়ও শক্ত অবস্থানে আছেন। রাজিবপুর থেকে এখনো পর্যন্ত কেউ জাতীয় সংসদে প্রতিনিধিত্ব করতে পারেননি। ফলে দীর্ঘদিনের সেই আক্ষেপ ঘোচাতে এবার ভোটাররা আশাবাদী।

গণসংযোগে আহ্বায়ক অধ্যাপক মোখলেছুর রহমান বলেন, “রাজিবপুর এখনো উন্নয়ন বঞ্চিত। আমি মনোনয়ন পেলে নদীভাঙন রোধ, অবকাঠামো উন্নয়ন এবং স্বাস্থ্য-শিক্ষা খাতে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে কাজ করব।”

বিএনপির প্রার্থী হিসেবে ইউপি নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যান মিরন মো. ইলিয়াস বলেন, “নেতৃত্ব মাঠ থেকে আসে, চেম্বার থেকে নয়। আমি সবসময় মানুষের পাশে ছিলাম, আছি এবং থাকব। আমার নেতৃত্বে দৃশ্যমান উন্নয়ন হবে ইনশাআল্লাহ।”

অধ্যক্ষ মাহবুবুর রশিদ মন্ডল বলেন, “রাজনীতিতে কখনো আপোষ করিনি। নদীভাঙন প্রতিরোধ, চরাঞ্চলে শিক্ষা বিস্তার ও কৃষি উন্নয়নই আমার অগ্রাধিকার।”

অন্যদিকে অধ্যাপক গোলাম মোস্তফা বলেন, “ছাত্রজীবন থেকে জাতীয়তাবাদী আদর্শ লালন করেছি। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন, স্বাস্থ্য ও শিক্ষার মানোন্নয়নে বাস্তবমুখী পরিকল্পনা নিয়ে এগোতে চাই।”

এদিকে সাধারণ মানুষও এই চারজনকে যোগ্য প্রার্থী হিসেবে দেখছেন। কৃষক আজিজুল ইসলাম বলেন, “রাজিবপুর থেকে আমরা কখনো সংসদ সদস্য পাইনি। এবার চাই এমন একজন নেতা, যিনি কাজ করবেন।”

শিক্ষার্থী লিপি আক্তার বলেন, “গোলাম স্যারের চিন্তাভাবনায় আমাদের প্রয়োজনের প্রতিফলন পাই।”

এক স্থানীয় ব্যবসায়ী মত দেন, “ইলিয়াস চেয়ারম্যান কাজের মানুষ, তার হাতেই উন্নয়ন সম্ভব।”

এক মুক্তিযোদ্ধার সন্তান বলেন, “মাহবুব স্যার সাহসী ও প্রতিবাদী, এমন মানুষেরই দরকার আমাদের রাজনীতিতে।”

রাজিবপুরের রাজনৈতিক সচেতন মহলের মতে, “ছোট একটি উপজেলা হয়েও একাধিক মনোনয়নপ্রত্যাশীর সক্রিয়তা প্রমাণ করে—এখানে নেতৃত্বের অভাব নেই। এখন প্রয়োজন যথাযথ মূল্যায়ন ও মনোনয়নে সুবিচার।”

রাজিবপুরবাসীর প্রত্যাশা—এবার অন্তত একটি প্রভাবশালী রাজনৈতিক দল থেকে রাজিবপুরের একজন যোগ্য নেতাকে মনোনয়ন দিয়ে এ অঞ্চলের উন্নয়নের দ্বার উন্মোচন করা হোক।