ভালো কাজ বন্ধ করে সন্ত্রাসের পথ বেছে নিয়েছে ছাত্রদল: সাদিক কায়েম
- আপডেট সময় : ০১:১৯:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ৩১ মে ২০২৫
- / 45
অনলাইন ডেস্ক:
“ভালো কাজের প্রতিযোগিতা হওয়ার কথা, কিন্তু সেখানে ভালো কাজ বন্ধ করতে সন্ত্রাসী হামলার পথ বেছে নিয়েছে ছাত্রদল”—এমন মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের কেন্দ্রীয় প্রকাশনা সম্পাদক ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের সাবেক সভাপতি সাদিক কায়েম।
শনিবার বিকেলে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে এক পোস্টে তিনি এ মন্তব্য করেন। চট্টগ্রাম কমার্স কলেজে ছাত্রশিবিরের ওপর ছাত্রদলের হামলার ঘটনার পরপরই তিনি এই প্রতিক্রিয়া জানান। সেই পোস্টে তিনি একটি ভিডিও সংযুক্ত করেন, যেখানে হামলার চিত্র দেখা যায়।
সাদিক কায়েম বলেন, চট্টগ্রাম কমার্স কলেজে শিক্ষার্থীদের সহায়তা করতে ছাত্রশিবির ‘হেল্প ডেস্ক’ স্থাপন করেছিল। এই কার্যক্রমকে কেন্দ্র করে ছাত্রদলের কর্মীরা সেখানে হামলা চালায় এবং হেল্প ডেস্ক ভাঙচুর করে। ঘটনাস্থলে থাকা ছাত্রশিবির নেতাকর্মীদের ওপরও শারীরিক হামলা চালানো হয়।
তিনি আরও বলেন, একই ধরনের সহায়তামূলক কার্যক্রম চালাতে গিয়ে রংপুরে জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থীদের জন্য স্থাপিত ফ্রি হেল্প ডেস্কেও হামলার শিকার হয় ছাত্রশিবির। সেখানে হামলা চালায় ‘চিড়িয়াখানা গ্যারেজ’ কর্তৃপক্ষ।
সাদিক কায়েম অভিযোগ করেন, একের পর এক হামলার মাধ্যমে ছাত্রকল্যাণমূলক কাজকে বাধাগ্রস্ত করা হচ্ছে। ছাত্রদলের নেতৃত্বে ক্যাম্পাসে আবারও মারামারি ও সহিংস রাজনীতি ফিরে আসছে। এই প্রবণতা রুখে না দিলে সন্ত্রাসের শিকার হবে কেবল রাজনৈতিক প্রতিপক্ষ নয়, বরং সাধারণ শিক্ষার্থীরাও নিরাপদ থাকবে না।
তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “আমরা সতর্ক করছি—যদি সন্ত্রাসের পথ বেছে নেওয়া হয়, তবে ছাত্র-জনতাকে সঙ্গে নিয়ে সর্বাত্মক প্রতিরোধ গড়ে তোলা হবে। এই ছাত্র-জনতা জুলাইয়ের যোদ্ধা—তারা নিপীড়নের মুখে মাথা নত করবে না, বরং এসব সন্ত্রাসীদের প্রতিহত করেই ছাড়বে, ইনশাআল্লাহ।”
এদিকে, শনিবার সকাল সাড়ে ৯টার দিকে চট্টগ্রাম কমার্স কলেজ ক্যাম্পাসের সামনে ছাত্রশিবিরের স্থাপিত হেল্প ডেস্কে ছাত্রদলের একটি দল হামলা চালায়। এতে অন্তত ৪ জন শিবিরকর্মী আহত হন। আহতদের মধ্যে তিনজনের পরিচয় পাওয়া গেছে: মহানগর দক্ষিণ কলেজ শাখার সম্পাদক মোজাহেরুল ইসলাম, কামরুজ্জামান জীবন ও আব্দুল হাদী রাহি। আহতদের চট্টগ্রাম মা ও শিশু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
প্রত্যক্ষদর্শী ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, হেল্প ডেস্কে ভর্তি পরীক্ষার্থীদের বসার ব্যবস্থা, পানীয় জল এবং তথ্য সহায়তা প্রদান করা হচ্ছিল। কিন্তু ছাত্রদলের কর্মীরা এসে এই কার্যক্রম বন্ধ করতে বলে এবং পরবর্তীতে হামলা চালায়।












