বাংলাদেশ ০৫:৪৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬, ১৫ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

ছাত্রশিবির ছাত্ররাজনীতিকে বিষাক্ত করেছে: উমামা ফাতেমা

  • আপডেট সময় : ০৮:১৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫
  • / 61

বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির পরিবেশকে “টক্সিক (বিষাক্ত)” করে তোলার জন্য ইসলামী ছাত্রশিবিরকে দায়ী করেছেন সাবেক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র ও বামপন্থী নেত্রী উমামা ফাতেমা। মঙ্গলবার (২৮ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্ট্যাটাসে উমামা লেখেন, “যারা এতদিন ছাত্রলীগের মধ্যে মিশে সার্ভাইভ করার ভান করে, তারাই এখন আরেকজনকে ট্যাগ দিচ্ছে। গত ১৫ বছর ছাত্রলীগের ছত্রছায়ায় থেকে হলগুলোতে হ্যাডম দেখানো ছাত্রশিবিরই ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে ছাত্র রাজনীতির পরিবেশকে বিষাক্ত করেছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রশিবিরের সদস্যরা “সাধারণ ছাত্র” পরিচয়ে বারবার আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করেছে, যার ফলে প্রকৃত সাধারণ ছাত্রদের কথা বলার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

উমামা তার স্ট্যাটাসে আরও লিখেন, “৮ মার্চ আসিয়া ধর্ষণ ঘটনার প্রতিবাদে আমরা মেয়েরা সুফিয়া কামাল হল থেকে মিছিল বের করে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করি। হলপাড়ায় দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় স্লোগান দিলেও কোনো তথাকথিত ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ হল থেকে বের হয়নি। অথচ অন্য সময় ছোট ঘটনায় এরা মিছিল করে।”

তিনি ছাত্র সমাজকে সাবধান করে বলেন, “এসব বাটপারদের থেকে সাবধান থাকুন। ছাত্রলীগের আমলে তারা লীগের বিরুদ্ধে কোনো সংগ্রাম করেনি, বরং ছাত্রলীগের সহিংসতাকে বৈধতা দিয়েছে। এখন যাকে-তাকে লীগ ট্যাগ দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করছে।”

উমামা ফাতেমা তার স্ট্যাটাসে ২০২৪ সালের কথিত ‘ডামি নির্বাচনের’ প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “আমরা যখন ৩১ জুলাই থেকে রাজু ভাস্কর্যে আন্দোলন শুরু করি, তখন কিছু ব্যক্তি ঢাবিতে ট্রান্সজেন্ডার কোটা বাতিলের আন্দোলন করছিল। আমরা তাদের একাত্মতার আহ্বান জানালেও তারা নীরব থাকে। তাদের কাছে ভোট ডাকাতির চেয়ে ট্রান্সজেন্ডার কোটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এখন তারা ‘জুলাইয়ের ঠিকাদারি’ করে। তাদের হাতে আন্দোলনের জুলাইও নিরাপদ না।”

এই স্ট্যাটাসে ছাত্রশিবির ও তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে উমামার স্পষ্ট অবস্থান সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

ছাত্রশিবির ছাত্ররাজনীতিকে বিষাক্ত করেছে: উমামা ফাতেমা

আপডেট সময় : ০৮:১৪:১৭ পূর্বাহ্ন, বুধবার, ২৮ মে ২০২৫

বাংলাদেশের ছাত্ররাজনীতির পরিবেশকে “টক্সিক (বিষাক্ত)” করে তোলার জন্য ইসলামী ছাত্রশিবিরকে দায়ী করেছেন সাবেক বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের মুখপাত্র ও বামপন্থী নেত্রী উমামা ফাতেমা। মঙ্গলবার (২৮ মে) রাতে নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক পেইজে দেওয়া এক স্ট্যাটাসে তিনি এ মন্তব্য করেন।

স্ট্যাটাসে উমামা লেখেন, “যারা এতদিন ছাত্রলীগের মধ্যে মিশে সার্ভাইভ করার ভান করে, তারাই এখন আরেকজনকে ট্যাগ দিচ্ছে। গত ১৫ বছর ছাত্রলীগের ছত্রছায়ায় থেকে হলগুলোতে হ্যাডম দেখানো ছাত্রশিবিরই ৫ আগস্টের পর বাংলাদেশে ছাত্র রাজনীতির পরিবেশকে বিষাক্ত করেছে।”

তিনি অভিযোগ করেন, ছাত্রশিবিরের সদস্যরা “সাধারণ ছাত্র” পরিচয়ে বারবার আন্দোলনকে ভিন্নখাতে প্রবাহিত করেছে, যার ফলে প্রকৃত সাধারণ ছাত্রদের কথা বলার জায়গা সংকুচিত হয়ে পড়েছে।

উমামা তার স্ট্যাটাসে আরও লিখেন, “৮ মার্চ আসিয়া ধর্ষণ ঘটনার প্রতিবাদে আমরা মেয়েরা সুফিয়া কামাল হল থেকে মিছিল বের করে ক্যাম্পাস প্রদক্ষিণ করি। হলপাড়ায় দাঁড়িয়ে দীর্ঘ সময় স্লোগান দিলেও কোনো তথাকথিত ‘সাধারণ শিক্ষার্থী’ হল থেকে বের হয়নি। অথচ অন্য সময় ছোট ঘটনায় এরা মিছিল করে।”

তিনি ছাত্র সমাজকে সাবধান করে বলেন, “এসব বাটপারদের থেকে সাবধান থাকুন। ছাত্রলীগের আমলে তারা লীগের বিরুদ্ধে কোনো সংগ্রাম করেনি, বরং ছাত্রলীগের সহিংসতাকে বৈধতা দিয়েছে। এখন যাকে-তাকে লীগ ট্যাগ দিয়ে নিজেদের রাজনৈতিক উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন করছে।”

উমামা ফাতেমা তার স্ট্যাটাসে ২০২৪ সালের কথিত ‘ডামি নির্বাচনের’ প্রসঙ্গ টেনে বলেন, “আমরা যখন ৩১ জুলাই থেকে রাজু ভাস্কর্যে আন্দোলন শুরু করি, তখন কিছু ব্যক্তি ঢাবিতে ট্রান্সজেন্ডার কোটা বাতিলের আন্দোলন করছিল। আমরা তাদের একাত্মতার আহ্বান জানালেও তারা নীরব থাকে। তাদের কাছে ভোট ডাকাতির চেয়ে ট্রান্সজেন্ডার কোটা বেশি গুরুত্বপূর্ণ ছিল। এখন তারা ‘জুলাইয়ের ঠিকাদারি’ করে। তাদের হাতে আন্দোলনের জুলাইও নিরাপদ না।”

এই স্ট্যাটাসে ছাত্রশিবির ও তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে উমামার স্পষ্ট অবস্থান সামাজিক মাধ্যমে মিশ্র প্রতিক্রিয়া তৈরি করেছে।