বাংলাদেশ ০৭:৪৬ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০১ মে ২০২৬, ১৮ বৈশাখ ১৪৩৩ বঙ্গাব্দ
শিরোনাম :
ইসলামপুরে এ এস এম আব্দুল হালিমের সমর্থনে মহিলাদলের উঠান বৈঠক অনুষ্ঠিত হাইকোর্টের রায় স্থগিত, ডাকসু নির্বাচনে আর কোনো বাধা নেই সর্বশক্তি দিয়ে সুন্দর নির্বাচন আয়োজনের অঙ্গীকার সিইসির ভারতে পালিয়ে থেকেও বাংলাদেশে বিশ্ববিদ্যালয় চালু করলেন আ.লীগ নেতা হানিফ যশোরের শার্শায় জামায়াত ছাড়লেন ৯ কর্মী, বিএনপিতে যোগদান শেরপুর ও সাতক্ষীরায় বিএনপির ৭৩ নেতাকর্মীর জামায়াতে যোগদান হলুদ সাংবাদিকতার পতন আমার হাত ধরেই হবে: ডাকসু প্রার্থী সর্ব মিত্র চাকমা সৌদিতে তিন সন্তানকে বাথটাবে চুবিয়ে হত্যা করলেন ভারতীয় মা চবি শিক্ষার্থীদের ‘সন্ত্রাসী’ আখ্যা দেওয়া বিএনপির কেন্দ্রীয় নেতা উদয় কুসুম বড়ুয়া বহিষ্কার রাজাকারি কোনো স্লোগান এই দেশে শুনতে চাই না: ফজলুর রহমান

‘বিচার ও সংস্কার না করে ইউনূস চলে গেলে গৃহযুদ্ধ লাগবে দেশে’

  • আপডেট সময় : ০৭:৩৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫
  • / 59

অনলাইন ডেস্ক:

জাতীয় সরকার গঠনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান বিন হাদি সতর্ক করে বলেছেন, “বিচার ও মৌলিক সংস্কার ছাড়াই যদি ড. ইউনূস সরকার সরে যায় কিংবা নির্বাচনমুখী হয়, তাহলে দেশে অচিরেই গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে।” শনিবার (২৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, “আমরা আবারও জোর দিয়ে জাতীয় সরকারের আহ্বান জানাচ্ছি—যেখানে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। ফ্যাসিবাদবিরোধী সব শক্তিকে নিয়ে একটি অন্তর্বর্তী জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে। এখনও সময় আছে, আগামী এক বছরের মধ্যে এই সরকার গঠন করা সম্ভব। যারা এতে সহযোগিতা করবে না, তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে।”

ওসমান বিন হাদি বলেন, “এই জাতীয় সরকারের লক্ষ্য হবে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়ন এবং একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আয়োজন। যদি জাতীয় সরকার গঠন না হয়, তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গঠন করতে হবে, যার নেতৃত্বে থাকবেন ড. ইউনূস এবং সকল রাজনৈতিক দল থেকে একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। তারা কেউ মন্ত্রী বা উপদেষ্টা হবেন না, তবে ওয়াচডগ হিসেবে কাজ করবেন এবং প্রয়োজনীয় ইস্যুতে প্রকাশ্যে মত দিতে পারবেন।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি এই কাঠামো না গড়ে তোলা হয়, আর সংস্কার ও বিচার ছাড়াই সরকার নির্বাচন আয়োজনের দিকে যায়, তবে দেশে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেও দায় নিতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিছু কর্মকাণ্ডকে “বিতর্কিত” ও “উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে আখ্যায়িত করেন এবং তীব্র সমালোচনা করেন।

নিউজটি শেয়ার করুন

আপনার মন্তব্য

Your email address will not be published. Required fields are marked *

আপনার ইমেইল এবং অন্যান্য তথ্য সংরক্ষন করুন

আপলোডকারীর তথ্য

‘বিচার ও সংস্কার না করে ইউনূস চলে গেলে গৃহযুদ্ধ লাগবে দেশে’

আপডেট সময় : ০৭:৩৭:০৫ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ২৪ মে ২০২৫

অনলাইন ডেস্ক:

জাতীয় সরকার গঠনের দাবি পুনর্ব্যক্ত করে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক ওসমান বিন হাদি সতর্ক করে বলেছেন, “বিচার ও মৌলিক সংস্কার ছাড়াই যদি ড. ইউনূস সরকার সরে যায় কিংবা নির্বাচনমুখী হয়, তাহলে দেশে অচিরেই গৃহযুদ্ধের আশঙ্কা রয়েছে।” শনিবার (২৪ মে) বেলা সাড়ে ১১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের মধুর ক্যান্টিনে আয়োজিত এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে তিনি এই বক্তব্য দেন।

তিনি বলেন, “আমরা আবারও জোর দিয়ে জাতীয় সরকারের আহ্বান জানাচ্ছি—যেখানে বিএনপি, জামায়াত, ইসলামী আন্দোলনসহ সব রাজনৈতিক দলের প্রতিনিধিত্ব থাকবে। ফ্যাসিবাদবিরোধী সব শক্তিকে নিয়ে একটি অন্তর্বর্তী জাতীয় সরকার গঠন করতে হবে। এখনও সময় আছে, আগামী এক বছরের মধ্যে এই সরকার গঠন করা সম্ভব। যারা এতে সহযোগিতা করবে না, তাদের জাতির কাছে জবাবদিহি করতে হবে।”

ওসমান বিন হাদি বলেন, “এই জাতীয় সরকারের লক্ষ্য হবে বিচার প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা, মৌলিক সংস্কার বাস্তবায়ন এবং একটি গ্রহণযোগ্য জাতীয় নির্বাচন আয়োজন। যদি জাতীয় সরকার গঠন না হয়, তাহলে জাতীয় ঐক্য কাউন্সিল গঠন করতে হবে, যার নেতৃত্বে থাকবেন ড. ইউনূস এবং সকল রাজনৈতিক দল থেকে একজন করে প্রতিনিধি থাকবেন। তারা কেউ মন্ত্রী বা উপদেষ্টা হবেন না, তবে ওয়াচডগ হিসেবে কাজ করবেন এবং প্রয়োজনীয় ইস্যুতে প্রকাশ্যে মত দিতে পারবেন।”

তিনি হুঁশিয়ারি দিয়ে বলেন, “যদি এই কাঠামো না গড়ে তোলা হয়, আর সংস্কার ও বিচার ছাড়াই সরকার নির্বাচন আয়োজনের দিকে যায়, তবে দেশে ভয়াবহ গৃহযুদ্ধের পরিস্থিতি তৈরি হতে পারে। এর জন্য রাজনৈতিক দলগুলোর পাশাপাশি বাংলাদেশ সেনাবাহিনীকেও দায় নিতে হবে।”

সংবাদ সম্মেলনে ইনকিলাব মঞ্চের আহ্বায়ক বিএনপি ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) কিছু কর্মকাণ্ডকে “বিতর্কিত” ও “উদ্দেশ্যপ্রণোদিত” বলে আখ্যায়িত করেন এবং তীব্র সমালোচনা করেন।